লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার মেঘনা নদী কেন্দ্রিক বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার অত্যন্ত সুপরিচিত ও সম্মানিত দুই ব্যক্তি—সাবেক ও বর্তমান ইউপি সদস্য মো. হেলাল মেম্বার এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জিহাদ আহমেদকে সমাজে হেয় করতে একটি কুচক্রী মহল এবার ‘জলদস্যু’র মতো মারাত্মক তকমা দিয়ে বানোয়াট প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. হেলাল মেম্বার এবং জিহাদ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সততা ও সুনামের সাথে মাতাব্বার হাট মৎস্য ব্যবসা এবং মাছের আড়ত পরিচালনা করে আসছেন। স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি এলাকার সাধারণ জেলেদের সুখ-দুঃখে তারা সবসময় পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।
কিন্তু সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাদের ব্যবসায়িক ও সামাজিক সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে এবং ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে ফেসবুকে বিভিন্ন আইডি থেকে তাদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ‘জলদস্যু’ আখ্যা দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে হেলাল মেম্বার ও ব্যবসায়ী জিহাদ আহমেদ বলেন:
“আমরা দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা নদীতে এবং মাছের আড়তে সততার সাথে ব্যবসা করে আসছি। আমাদের কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের সাথে দূরতম সম্পর্কও নেই। একটি মহল আমাদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এবং আমাদের দীর্ঘদিনের সততার ব্যবসাকে ধ্বংস করতে আমাদের মতো সম্মানিত মানুষকে ‘জলদস্যু’ সাজানোর নোংরা খেলায় মেতেছে। আমরা এই জঘন্য মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা জানাই এবং প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও সাইবার অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।”
এদিকে মাছের আড়তের সাধারণ ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জেলেরা জানান, হেলাল মেম্বার এবং জিহাদ আহমেদ কমলনগর এলাকার অত্যন্ত সজ্জন ও সম্মানিত ব্যক্তি। যারা মেঘনা নদীতে জেলেদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করেন, তাদেরকেই উল্টো ‘জলদস্যু’ বানিয়ে দেওয়া স্রেফ ব্ল্যাকমেইলিং এবং সম্মানহানি করার অপচেষ্টা মাত্র।
এলাকাবাসী, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ জেলেরা এই সাইবার বুলিং ও মারাত্মক মিথ্যা অপপ্রচারের সাথে জড়িত অপরাধী চক্রকে দ্রুত চিহ্নিত করে সাইবার নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতারের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।