ভয়েস অব হিউম্যান এন্ড জাস্টিস মালেশিয়া থেকেই সরাসরি সম্প্রসারিত টক শো তে উপস্থিত ছিলেন বেস্ট বাংলা গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আবদুর রহিম খন্দকার ইসলামী ব্যাংকার, বাংলাদেশ।
১) বর্তমান বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের সামগ্রিক চিত্রকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
উত্তর: বাংলাদেশের কর্মসংস্থানের চিত্র মিশ্র বাস্তবতার প্রতিফলন। একদিকে তৈরি পোশাক শিল্প, কৃষি, প্রবাসী শ্রমবাজার, পর্যটন শিল্প এবং ডিজিটাল সেবাখাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ছে। অন্যদিকে শিক্ষিত বেকারত্ব, দক্ষতার ঘাটতি এবং শিল্পখাতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগের অভাব বড় চ্যালেঞ্জ।বর্তমানে জনসংখ্যার একটি বড় অংশ কর্মক্ষম হওয়ায় বাংলাদেশ Demographic Dividend-এর সুযোগ পাচ্ছে। সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা গেলে এটি দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।২) শিক্ষিত বেকারত্ব কেন এখনও বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ?
উত্তর: শিক্ষিত বেকারত্বের মূল কারণ হলো শিক্ষা ও চাকরির বাজারের মধ্যে অসামঞ্জস্য।অনেক শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করলেও বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন করতে পারে না। এছাড়া চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা অত্যন্ত বেশি, কিন্তু মানসম্মত চাকরির সংখ্যা তুলনামূলক কম। বিশেষ করে যোগাযোগ দক্ষতা, আইটি দক্ষতা এবং ইংরেজি ভাষাজ্ঞান কম থাকাও বড় কারণ।৩) কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাধা কী? উত্তর: সবচেয়ে বড় বাধা তিনটি:১.দক্ষ মানবসম্পদের অভাব।
২.পর্যাপ্ত শিল্পায়নের ঘাটতি।
৩.বিনিয়োগ পরিবেশের সীমাবদ্ধতা।
দেশে বিনিয়োগ বাড়লে এবং শিল্প সম্প্রসারণ হলে নতুন কর্মসংস্থান দ্রুত তৈরি হবে।যুবসমাজ ও দক্ষতা উন্নয়ন
৪) বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে কোন দক্ষতার ঘাটতি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়?
উত্তর: সবচেয়ে বেশি ঘাটতি দেখা যায়—
★Communication Skill
★Problem Solving Skill
★Digital Skill ★ Leadership
★English Proficiencyবর্তমান চাকরির বাজারে Soft Skill ও Technical Skill—দুইটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ।৫) বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা কি চাকরির বাজারের চাহিদা পূরণ করতে পারছে? উত্তর: পুরোপুরি পারছে না।বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এখনও অনেকাংশে তাত্ত্বিক জ্ঞানের উপর নির্ভরশীল। চাকরির বাজার এখন চায় ★Practical Skill ★ Industry ★Knowledge এবং Problem Solving Ability এজন্য Industry-Academia Collaboration বাড়ানো জরুরি।
৬) বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি নাকি দক্ষতা—বর্তমান সময়ে কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: বর্তমান সময়ে দক্ষতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ, তবে ডিগ্রির গুরুত্বও অস্বীকার করা যায় না।একটি ডিগ্রি আপনাকে সুযোগের দরজা খুলে দেয়, কিন্তু দক্ষতা আপনাকে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে সাহায্য করে। সুতরাং ডিগ্রি + দক্ষতা = সাফল্যের সেরা সমন্বয়।
৭) চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে তরুণদের কোন দক্ষতাগুলো অর্জন করা জরুরি?
উত্তর: Artificial Intelligence (AI), Data Analysis, Cyber Security, Programming,Digital Marketing, Critical Thinking, Adaptability.
এগুলো আগামী দশকের চাকরির বাজারে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন দক্ষতা হবে।৮) কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষার প্রসারে কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত?
উত্তর: TVET প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি করে আধুনিক কারিকুলাম Industry Partnership, Hands-on Training সহ সরকারি প্রণোদনা কারিগরি শিক্ষা বাড়াতে পারলে দ্রুত কর্মসংস্থান বাড়বে।
৯) বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও চাকরির বাজারের মধ্যে যে ব্যবধান রয়েছে, তা কীভাবে কমানো যায়?
উত্তর: এই ব্যবধান কমাতে তিনটি বিষয় জরুরি-★Curriculum Modernization
★Internship বাধ্যতামূলক করা
★ Industry Linkage বৃদ্ধি
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বাস্তবমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।১০) ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার সঙ্গে কর্মমুখী দক্ষতা উন্নয়নের সমন্বয় কীভাবে সম্ভব?উত্তর: ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা মানুষকে সততা, দায়িত্বশীলতা ও মূল্যবোধ শেখায়।
অন্যদিকে কর্মমুখী দক্ষতা একজনকে অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম করে। দুইটির সমন্বয় হলে দক্ষ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল মানবসম্পদ তৈরি হবে।
✅ প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান
✅ AI, Automation
✅ Freelancing
✅ Startup & Entrepreneurship
Part–2 (প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান + উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও স্টার্টআপ)
প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান।১১) AI, Automation এবং Digital Economy বাংলাদেশের কর্মসংস্থানে কী প্রভাব ফেলবে?উত্তর: AI এবং Automation কিছু প্রচলিত চাকরির ধরন পরিবর্তন করবে, বিশেষ করে repetitive কাজগুলো। তবে এটি নতুন ধরনের চাকরিও সৃষ্টি করবে। যেমন—AI Specialist, Data Analyst, Cyber Security Expert, Digital Product Manager, Digital Economy বাংলাদেশের জন্য বিশাল সম্ভাবনার খাত। ই-কমার্স, ফিনটেক, ডিজিটাল ব্যাংকিং এবং অনলাইন সার্ভিস খাতে কর্মসংস্থান দ্রুত বাড়বে।১২) ফ্রিল্যান্সিং ও রিমোট ওয়ার্ক বাংলাদেশের জন্য কতটা সম্ভাবনাময় খাত?
উত্তর: এটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত।বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিশ্বে অন্যতম বড় Freelancing Market হিসেবে পরিচিত।বিশেষ করে— Graphic Design, Web Development, Digital Marketing, Content Writing, Virtual Assistant এই খাতে তরুণদের জন্য বৈদেশিক আয় অর্জনের বড় সুযোগ রয়েছে।১৩) বাংলাদেশ কীভাবে বৈশ্বিক IT ও প্রযুক্তি সেবার বাজারে আরও বড় অংশীদার হতে পারে?উত্তর:বাংলাদেশকে তিনটি বিষয়ে বেশি জোর দিতে হবে-★Skill Development
★Global Standard Training
★Quality Infrastructure
সাথে International Branding এবং IT Export Promotion বাড়াতে হবে।
১৪) তরুণদের জন্য প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ কতটা রয়েছে?
উত্তর: বর্তমানে সুযোগ অত্যন্ত বেশি।
Fintech, EdTech, HealthTech, AgriTech—সবখানেই নতুন উদ্যোগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।কম পুঁজিতেও Digital Startup শুরু করা এখন আগের তুলনায় অনেক সহজ।উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও স্টার্টআপ।
১৫) চাকরি খোঁজার পরিবর্তে চাকরি সৃষ্টিকারী হওয়ার সংস্কৃতি কীভাবে গড়ে তোলা যায়?উত্তর: আমাদের সমাজে চাকরি পাওয়াকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে Entrepreneurship Education চালু করতে হবে।তরুণদের Job Seeker নয়, Job Creator হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
১৬) নতুন উদ্যোক্তারা সবচেয়ে বেশি কোন সমস্যার মুখোমুখি হন?
উত্তর: প্রধান সমস্যাগুলো হলো— ★Financing সমস্যা ★ Business Experience-এর অভাব ★Market Access ★ Mentorship-এর ঘাটতি ★ Regulatory Complexity
বিশেষ করে প্রাথমিক মূলধন সংগ্রহ করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।১৭) ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে তরুণ উদ্যোক্তাদের আরও সহায়তা করতে পারে?উত্তর: ব্যাংকগুলো তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য-সহজ শর্তে ★SME Loan★Startup Financing
★ Low Interest Scheme
★Business ★Advisory Support দিতে পারে। এতে নতুন ব্যবসা গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থান বাড়বে।
১৮) গ্রামীণ অর্থনীতিতে উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ কোথায় সবচেয়ে বেশি?
উত্তর: সবচেয়ে বেশি সুযোগ রয়েছে—
★Agro Processing ★Fisheries ★Dairy★E-commerce ★Rural Tourismগ্রামে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা তৈরি হলে স্থানীয় কর্মসংস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
১৯) তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়নের সবচেয়ে কার্যকর মডেল কী?
উত্তর: সবচেয়ে কার্যকর মডেল হলো Hybrid Financing Model অর্থাৎ— ★ব্যাংক ঋণ ★Venture Capital ★ Angel Investment ★সরকারি প্রণোদনা এই চারটির সমন্বিত ব্যবস্থা সবচেয়ে কার্যকর।
২০) ব্যাংকিং খাত ও SME খাত কীভাবে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে?
উত্তর: SME খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির Backboneব্যাংক যদি SME খাতে সহজে অর্থায়ন করে, তাহলে নতুন ব্যবসা গড়ে উঠবে।SME সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের বড় অংশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব।
✅ প্রবাস ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার
✅ নারী কর্মসংস্থান
✅ নীতি ও রাষ্ট্রের ভূমিকা
✅ আন্তর্জাতিক তুলনা।Part–3
(প্রবাস ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার + নারী কর্মসংস্থান + নীতি ও রাষ্ট্রের ভূমিকা + আন্তর্জাতিক তুলনা + সমাপনী) ।
প্রবাস ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার।
২১) বৈশ্বিক চাকরির বাজারে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান কী?
উত্তর: বাংলাদেশ বৈশ্বিক শ্রমবাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রম রপ্তানিকারক দেশ।
বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া এবং কিছু এশিয়ান দেশে বাংলাদেশের শ্রমশক্তির চাহিদা রয়েছে।
তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা এখনও Low-Skill, Workforce পাঠাই, যা আয়ের দিক থেকে সীমিত।২২) দক্ষ কর্মী রপ্তানিতে বাংলাদেশ কেন এখনও অনেক দেশের তুলনায় পিছিয়ে?
উত্তর: মূল কারণগুলো হলো—★Skill Gap ★Language Barrier ★International Certification-এর অভাব Training Quality সীমিত
দক্ষ কর্মী তৈরি করতে পরিকল্পিত বিনিয়োগ প্রয়োজন।
২৩) মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ইউরোপ, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ কতটা?
উত্তর: বর্তমানে সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে।বিশেষ করে— Caregiving, Manufacturing, Construction, IT, Tourism & Hospitality এই খাতে চাহিদা বাড়ছে। যারা দক্ষ ও ভাষাগতভাবে প্রস্তুত, তাদের জন্য সুযোগ অনেক ভালো।২৪) আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারে প্রবেশের জন্য তরুণদের কী ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া উচিত?
উত্তর: তরুণদের প্রস্তুতি নিতে হবে—
Technical Skill, Language Skill, International Certification, Cultural, Adaptability, Global Standard অনুযায়ী নিজেকে তৈরি করতে হবে।
২৫) ভাষাগত দক্ষতা (ইংরেজি, জাপানি, কোরিয়ান, আরবি) কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: ভাষাগত দক্ষতা বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।অনেক ক্ষেত্রে দক্ষতার পাশাপাশি ভাষাজ্ঞানই চাকরি পাওয়ার প্রধান শর্ত। বিশেষ করে জাপান, কোরিয়া ও ইউরোপে ভাষা জানলে সুযোগ বহুগুণ বেড়ে যায়। ২৬) নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে প্রধান প্রতিবন্ধকতাগুলো কী?
উত্তর: প্রধান প্রতিবন্ধকতাগুলো হলো—
সামাজিক বাধা, নিরাপত্তা সমস্যা দক্ষতার ঘাটতি, পরিবার-চাকরি ভারসাম্য। এই বাধাগুলো দূর করতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। ২৭) প্রযুক্তি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম কীভাবে নারীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছে? উত্তর: প্রযুক্তি নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলে দিয়েছে।যেমন— Freelancing, E-commerce, Online Teaching, Content Creation, ঘরে বসেই আয় করার সুযোগ এখন অনেক বেড়েছে।
২৮) নারী উদ্যোক্তাদের সংখ্যা বাড়াতে কী ধরনের নীতি প্রয়োজন?
উত্তর: প্রয়োজন— সহজ ঋণ Training Program, Mentorship, Incentive
Market Access Support এগুলো নারী উদ্যোক্তাদের দ্রুত এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।নীতি ও রাষ্ট্রের ভূমিকা।
২৯) কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার কোন খাতগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত?
উত্তর: সরকারের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত— Manufacturing, IT, Agriculture, SME Healthcare.
এই খাতগুলোতে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। (৩০) শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে কীভাবে কর্মসংস্থান বাড়ানো সম্ভব?উত্তর: শিল্পায়ন বাড়লে উৎপাদন বাড়ে, বিনিয়োগ আসে এবং নতুন কারখানা গড়ে ওঠে। এর ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।
৩১) বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে সমন্বয় কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সরকার নীতি নির্ধারণ করবে, আর বেসরকারি খাত বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান তৈরি করবে।দুই পক্ষের কার্যকর সমন্বয় ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
৩২) আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশের কর্মসংস্থানের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত কোনগুলো?উত্তর: সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত—IT & Tech, Healthcare, Agro, Processing Logistics, Renewable Energy, Fintech এই খাতগুলো আগামী দশকে কর্মসংস্থানের মূল চালিকাশক্তি হবে। আন্তর্জাতিক তুলনামূলক আলোচনা। ৩৩) ভিয়েতনাম, ভারত ও মালয়েশিয়ার কর্মসংস্থান মডেল থেকে বাংলাদেশ কী শিখতে পারে?
উত্তর: বাংলাদেশ শিখতে পারে—
Export Diversification, Skill Development, Foreign Investment, Attraction,Technology Integration এই দেশগুলো পরিকল্পিতভাবে কর্মসংস্থান বাড়িয়েছে।
৩৪) বিশ্বের কোন দেশ যুব কর্মসংস্থানে সবচেয়ে সফল এবং তাদের সাফল্যের মূল কারণ কী?
উত্তর: জার্মানি যুব কর্মসংস্থানে অন্যতম সফল।তাদের সাফল্যের মূল কারণ—
1.Strong Vocational Education 2. Industry Linkage. 3.Apprenticeship Model. এই মডেল বাংলাদেশেও কার্যকর হতে পারে।৩৫) বিদেশে উচ্চশিক্ষা নেওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা দেশের কর্মসংস্থানে কীভাবে অবদান রাখতে পারেন? উত্তর: তারা দেশে ফিরে— Innovation, Knowledge Transfer, Startup Creation, Global Network Development এর মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
৩৬) Brain Drain নাকি Brain Gain—বাংলাদেশের জন্য কোনটি বেশি বাস্তবতা?উত্তর: বর্তমানে Brain Drain বেশি বাস্তবতা।তবে সঠিক নীতি গ্রহণ করলে এটিকে Brain Gain-এ রূপান্তর করা সম্ভব।বিদেশে থাকা দক্ষ বাংলাদেশিরা দেশের উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন।
সমাপনী প্রশ্ন ৩৭) যদি আপনাকে বাংলাদেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য তিনটি অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে বলা হয়, সেগুলো কী হবে?
উত্তর: আমার তিনটি অগ্রাধিকার হবে—
১. Skill Development ২. Industrial Expansion ৩. Entrepreneurship Promotion
এই তিনটি খাতেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।৩৮) আজকের একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে কর্মজীবনে সফল হওয়ার জন্য আপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ কী?
উত্তর: শুধু ডিগ্রির পেছনে নয়, দক্ষতার পেছনেও সমান গুরুত্ব দিন।
নিয়মিত শেখা, Adaptability এবং Communication Skill—এই তিনটি সফলতার চাবিকাঠি।৩৯) ২০৩৫ সালের বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের চিত্র আপনি কেমন দেখতে চান? উত্তর: আমি ২০৩৫ সালের বাংলাদেশকে এমন একটি দেশ হিসেবে দেখতে চাই যেখানে—দক্ষ মানবসম্পদ থাকবে বেকারত্ব কমবে
প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান বাড়বে
উদ্যোক্তা সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে
একটি দক্ষ, উদ্ভাবনী এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে, যেখানে তরুণরাই হবে উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশ সরকার ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কে আরো সাধুবাদ জানিয়েছে যে, পর্যটন শিল্প আগামী ২০৪০ সালের মধ্যেই ২ কোটি ১৯ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এর আশ্বাস দিলেন।
উপস্থাপনায়-ভয়েস অব হিউম্যান এন্ড জাস্টিস মালয়েশিয়া থেকেই সম্প্রসার,
আধুনিক বাংলাদেশ এর লিখক
হুসাইন আহমাদ জীবন
পি এইচ ডি ইন ‘ল’ (মালয়েশিয়া)
আমন্ত্রিত অতিথি*মোহাম্মদ আবদুর রহিম খন্দকার* অনার্স এন্ড মাস্টার্স ইন ইকোনমিক্স।ইসলামী ব্যাংকার, চেয়ারম্যান-বেস্ট বাংলা গ্রুপ।
প্রেসিডেন্ট ২০২৬- এপেক্স ক্লাব অব আগ্রাবাদ, সাধারন সম্পাদক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা- আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহয়তা ফাউন্ডেশন( আসফ)।