শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ মো. সফিকুর রহমান কিরন বলেছেন, দীর্ঘদিনের মামলা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা চালু করা সম্ভব হয়নি। তবে সব আইনি জটিলতা কাটিয়ে আগামী ১৮ থেকে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে এবং পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু হবে।
ভেদরগঞ্জ উপজেলার ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় সেলাই মেশিন বিতরণ এবং কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষি উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি কিরন বলেন, হাসপাতালটি দীর্ঘদিন মামলা জটিলতার কারণে উদ্বোধন করা সম্ভব হয়নি। নড়িয়া উপজেলার লাখো মানুষের চিকিৎসাসেবার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনি সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে হাসপাতালটি দ্রুত চালুর বিষয়টি উত্থাপন করেন। পরে প্রয়োজনীয় মামলার নথিপত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে হাইকোর্টে মামলার পুনঃশুনানি শেষে স্থগিতাদেশ (স্টে) জারি হওয়ায় হাসপাতালটি চালুর ক্ষেত্রে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, জেলা সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে হাসপাতাল চালুর প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে। শরীয়তপুর-২ আসনের জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ইনশাআল্লাহ আগামী ১৮ থেকে ২০ জুলাইয়ের মধ্যেই নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।
হাসপাতাল উদ্বোধনের আগেই মালামাল চুরির ঘটনায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমপি কিরন বলেন, হাসপাতালটি এখনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে রয়েছে। তাই এ ধরনের কোনো চুরির ঘটনায় দায়ভার সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকেই নিতে হবে। সরকার এখনো প্রকল্পটির দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেনি। তাঁর ধারণা, কোনো অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্যই এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে।