ফরিদপুর বোয়ালমারীর পাঞ্জেরী মডেল মাদ্রাসার নামে রেলের দেওয়া বৈধ লিজের জমি অবৈধ ভাবে দখলকৃত বিএনপি’র বহিষ্কৃত নেতা শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনুর থেকে উদ্ধার প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
আজ ৫( জুলাই) রবিবার সকাল দশটায় পাঞ্জেরী মডেল মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন।
এ সময় মোঃ জাকির হোসেন এর সভাপতিত্বে, সাংবাদিকদের মাঝে
মূল ঘটনা তুলে ধরেন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বোযালমারী পৌর আমির ও অধ্যক্ষ পাঞ্জেরী মডেল মাদ্রাসা, সৈয়দ নিয়ামুল হাসান তিনি বলেন, ১৯৯১ ইং সনে পাঞ্জেরী একাডেমী কিন্ডার গার্ডেন নামে একটি স্কুল পৌর ভবন সংলগ্নে একটি ভাড়া করা বাড়িতে পরিচালিত হচ্ছে। উক্ত স্কুলের তৎকালীন অধ্যক্ষ আবুল কাশেম মাহমুদ স্কুলটিকে হাসপাতালের বিপরীত পাশে পাঞ্জেরীর অনুকূলে দেওয়া রেলের জমিতে স্থাপনের লক্ষ্য ১৪/৪/১৯৯৩ ইং সনে তৎকালীন বোয়ালমারী স্টেশন মাস্টার আব্দুল হালিম সাহেবের মাধ্যমে ০৪৯৫০ নং লাইসেন্স সেটা ২০০৫ সাল পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ আছে।যার পরিমাণ ১ একর লাইসেন্সটি অনুমোদন দেন তৎকালীন পাকশি রেলওয়ে এর বিভাগীয় ভূ সম্পত্তি কর্মকর্তা জনাব আব্দুল হাই আরেকটি লাইসেন্স গত ৩০/ ১২/ ১৯৯৬ ইং তৎকালীন বোয়ালমারী স্টেশন মাস্টার জনাব গোলাম রসূল এর মাধ্যমে তৎকালীন পাকশি রেলওয়ে বিভাগীয় ভূ সম্পত্তি কর্মকর্তা ছিলেন জনাব মোঃ মোছলেহ উদ্দিন যার লাইসেন্স নং ০৭৭৪২/২ জমির পরিমাণ ০,৬৬ শতাংশ আমাদের জমিটি ২৭০/৬ থেকে ২৭০/৯ নং খাম্বা এর মধ্যে অবস্থিত।আমাদের দুইটি লাইসেন্স সম্পূর্ণ বৈধ দুইটা লিজের জমি আমাদের দখলে ছিল বোয়ালমারির হাজার হাজার মানুষ সাক্ষী ওই খানে পাঞ্জেরী স্কুলের বেড়া ঘর এবং সাইনবোর্ড ছিল যেই জমির সামনে বাণিজ্যিক লিজ নিয়ম অনুযায়ী পেছনের জমি ভোগ করে।কিন্তু এখানে ব্যতিক্রম হল ৪৮০ বর্গফুট বাণিজ্যিক লিজের নামে হাজার হাজার বর্গফুট অবৈধ ভাবে দখল করে প্লট করে কোটি কোটি টাকা বিক্রি করে হাতিয়ে নিয়েছেন।উল্লেখ্য ১৯৯৬ ইং থেকে বাণিজ্যিক লিজ দেয়া বন্ধ হয়েছে তাহলে তিনি কিসের বলে ওই রেলের জমি প্লট করে করে বিক্রি করলেন যারা এখন ওইখানে ভোগ দখলে আছে এটা সম্পূর্ণ অবৈধ।অর্থাৎ কোন ব্যক্তিরই লাইসেন্স নাই।