July 5, 2026, 3:06 pm
শিরোনাম:
মধুখালীতে ভূষনা লক্ষণদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের মধ্যাহ্ন ভোজ সাবেক এমপি নাসির উদ্দীন কালুর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানালেন লন্ডন প্রবাসী বিএনপি নেতা সুলতান সরদার ‘আস্থায় অবিচল’ স্লোগানে ব্র্যাক ব্যাংকের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে গাজীপুরে আলোচনা সভা টাঙ্গাইলে ভুয়া বিলে ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাইকগাছায় মৎস্য সংরক্ষণ আইনে অভিযানে ২টি অবৈধ চরপাটা জাল জব্দ ও বিনষ্ট! বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষনের ঘটনায় উত্তাল এলাকা, দোষীরা অধরা, বিক্ষোভ চলছে সিরাজগঞ্জ শহরের ১৫টি ওয়ার্ডে গাছ বিতরণ কর্মসূচি  গলাচিপায় দুস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ খুলনায় কেডিএসের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ উদ্বোধন জাজিরা উপজেলা বাসীর কল্যাণে ও উন্নয়নে আজীবন কাজ করতে চান বিএনপি নেতা সুরুজ মাদবর

টাঙ্গাইলে ভুয়া বিলে ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু,টাঙ্গাইলঃ

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গোসাই জোয়াইর আজিম মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সহকারী শিক্ষক সুবীর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে বিদ্যালয়ের তহবিল থেকে ১০ লাখ টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে বিজ্ঞানাগারের যন্ত্রপাতি কেনার জন্য সরকারি বরাদ্দের এক লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে একই নম্বরের একাধিক বিল ব্যবহার করে পরীক্ষার কাগজ ও প্রশ্নপত্র কেনার নামে বিদ্যালয়ের তহবিল থেকে অর্থ উত্তোলন করা হয়। টাঙ্গাইল উপজেলা শিক্ষক সমিতির ১৮৪ নম্বরের একই বিল চারবার ব্যবহার করে ৮৬ হাজার ৭০০ টাকা এবং উপজেলা শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্টের ৮৮০ নম্বরের একই বিল তিনবার দেখিয়ে আরও ৬১ হাজার টাকা উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া বিজ্ঞানাগারের যন্ত্রপাতি কেনার জন্য সরকারি বরাদ্দের এক লাখ টাকার বিপরীতে একটি কথিত প্রতিষ্ঠানের নামে ভুয়া দরপত্র দেখিয়ে পুরো অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের দাবিকৃত মালিক আনোয়ার বলেন, তাঁর নামে কোনো দোকান বা ট্রেড লাইসেন্স নেই। তিনি কখনো বিদ্যালয়ে এ ধরনের যন্ত্রপাতিও সরবরাহ করেননি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পুকুর লিজ, উপবৃত্তি, প্রিন্টার কালি, কম্পিউটার মেরামত, বিভিন্ন দিবস পালনসহ নানা খাতে ভুয়া বিল-ভাউচার ব্যবহার করে প্রধান শিক্ষক প্রায় ৭ লাখ ৫৩ হাজার টাকা এবং সহকারী শিক্ষক সুবীর চন্দ্র রায় প্রায় ২ লাখ ৭৮ হাজার টাকা আত্মসাত করেছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, “সব অভিযোগ সঠিক নয়। কিছু ভুলভ্রান্তি থাকতে পারে।”
সহকারী শিক্ষক সুবীর চন্দ্র রায় বলেন, “যদি কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী যা করার, তা করা হবে।”
বিদ্যালয়ের সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এস. এম. নূরুল আলম রেজভী দাবি করেন, অডিট ও তদন্তে বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে। সংশ্লিষ্ট বিল-ভাউচারগুলোর কোনোটি ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদিত ছিল না বলেও তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া বলেন, লিখিত অভিযোগ বা গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রকাশের আগে অভিযোগের নথি, অডিট রিপোর্ট বা তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য যাচাই করে নেওয়া ভালো, যাতে সংবাদটি তথ্যগত ও আইনগতভাবে আরও শক্তিশালী থাকে।