ফরিদপুরের মধুখালীতে উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মি মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত ফরিদপুরের ডিবি পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হন। পরবর্তী ডিবি হেফাজতে ২১ জুন রোববার ভোরে মৃত্যুবরন করেন।
২২ জুন সোমবার ২০২৬খ্রি. বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌর সদরের গোন্দারদিয়া গ্রামে মরহুম মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্তর লাশ পৌছালে এক হুদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারনা হয়। মুহুর্তের মধ্যে উত্তেজিত জনতা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের প্রান্তর বাড়ীর সামনে মধুখালী পেঁয়াজ বাজার এলাকায় কয়েক হাজার নারী পুরুষ মহাসড়ক অবরোধ করেন।এ সময় পুলিশ নির্বিকার দাঁড়িয়ে থাকে। এতে উভায় পাশে কয়েকশত যানবাহন আটকা পরে। প্রায় ঘন্টা ব্যাপি অবরোধ চলাকালিন জনতা ডিবি হেফাজতে নিহত প্রান্ত হত্যার ডিবি পুলেশের বিচার দাবী করে বক্তব্য দেন। মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্তের সেঝ চাচা মির্জা ইমরুল কায়েশের হস্তক্ষেপে অবরোধের অবসান হয়।
দুপুর ২টায় মধুখালী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে জানাজায় কয়েক হাজার মানুষ অংশ গ্রহন করেন। জানাজায় প্রান্ত হত্যার প্রকৃত কারন ও বিচার দাবী করে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন আহমেদ সতেজ,সাধারন সম্পাদক আব্দুল আলীম মানিক ,পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ হায়দার আলী মোল্যা ও পরিবারের পক্ষে মরহুমের সেঝ চাচা মির্জা ইমরুল কায়েশ । জানাজা পরবর্তী মরহুমের লাশ পৌর সভার গোন্দারদিয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়। উল্লেখ ২০ জুন ২০২৬খ্রি. শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় ডিবি পুলিশের একটি দল নিজ বাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করে। ২১ জুন ২০২৬খ্রি. রোববার ভোরে ডিবি হেফাজতে তার মৃত্যু হয়।