তোমার দেওয়া সেই লাল শাড়িটা—
এক টুকরো গোধূলি যেন,
আমার সমস্ত আনন্দ,আহ্লাদ জড়িয়ে থাকত আঁচলে।
সেই হাতভরা কাচের চুড়ি—
নদীর বুকে ভাঙা রোদের মতো,
নড়লেই বাজত রঙিন দিনের গোপন সুর।
আর তুমি—
পরম মমতায় কাছে টেনে নিয়ে
পায়েলে জড়িয়ে দিতে কিছু অনন্ত মুহূর্ত,
গেঁথে দিতে কিছু নীরব ঝংকার,
যেন ভালোবাসা নিজেই
শব্দ হয়ে বাজতে শিখেছে।
বলো তো,
এমন ক্ষণগুলো কি কখনও সত্যিই হারিয়ে যায়?
নাকি সময়ের গোপন অলিন্দে
অতৃপ্ত প্রদীপের শিখা হয়ে জ্বলে থাকে,
দেখা যায় না,তবু নিভেও না কখনও।
বহু সময় পেরিয়ে গেলে,
হঠাৎ কোনো নির্জন বিকেলের জানালায়
স্মৃতিরা এসে আলতো কড়া নাড়ে,
মনে হয়—
কিছু কিছু মুহূর্ত অতীত হয়না,
হৃদয়ের গভীরে রোপণ করা
চিরসবুজ বৃক্ষ হয়ে রয়ে যায়!
যার পাতায় পাতায়
মমতার রিনিঝিনি শব্দ ঝরে চিরকাল।