June 21, 2026, 8:36 am
শিরোনাম:
কালশীতে অভিযান: ১০০০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গরিব মানুষের আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চান অ্যাডভোকেট খাতুনে জান্নাত বন্যা সাড়ে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ইমামের বিরুদ্ধে বিচার দাবিতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পার্কিংয়ে রাখা সিএনজি নিয়ে চম্পট চোর, কুলাউড়ায় তোলপাড় রংপুরে নিয়োগ জালিয়াতি চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার বাংলাদেশ এর কর্মসংস্থানের সুযোগ ও সম্প্রসারণ বর্তমান বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা গাইবান্ধা জেলা নির্মাণ (মিস্ত্রি) শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন বিএসএফের টাকার টোপে সীমান্তের দরিদ্ররা সহযোগিতা করছেন পুশ-ইনে বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে” — মাসুদ সাঈদী এমপি পূবাইলে কেমিক্যাল কারখানায় ভয়াবহ আগুন, ২০১৬ সালেও ঝরেছিল ৬ প্রাণ

সয়াবিন চাষে ব্যস্ত কমলনগরের কৃষকরা: বাম্পার ফলনের হাতছানি

কবির হোসেন রাকিব , কমলনগর লক্ষ্মীপুর:

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় বর্তমানে কৃষকদের দম ফেলার ফুসরত নেই। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন শুধু সবুজের সমারোহ। উপকূলীয় এ অঞ্চলের প্রধান অর্থকরী ফসল সয়াবিন ও বাদাম চাষে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় কৃষকরা। বিশেষ করে সয়াবিন চাষে এবার ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে এই জনপদে।
মাঠে মাঠে কর্মযজ্ঞ সরেজমিনে কমলনগরের বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, ভোরের আলো ফোটার আগেই কৃষকরা লাঙল, কোদাল আর বীজ নিয়ে মাঠে নেমে পড়ছেন। কেউ নিড়ানি দিচ্ছেন, কেউ পোকা দমনে ব্যস্ত, আবার কেউবা গাছের পরিচর্যা করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফসলের চেহারা বেশ ভালো বলে জানিয়েছেন চাষিরা।
সয়াবিনের রাজধানী কমলনগর উপজেলাকে সয়াবিনের অন্যতম প্রধান উৎপাদনস্থল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। স্থানীয় কৃষকদের মতে, ধান বা অন্য ফসলের তুলনায় সয়াবিন চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশি। এছাড়া এই অঞ্চলের মাটি সয়াবিন চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় বছরের এই সময়ে অধিকাংশ জমি সয়াবিন চাষের আওতায় চলে আসে।
বাদাম চাষের চিত্র সয়াবিনের পাশাপাশি চরাঞ্চলে চীনাবাদামেরও ব্যাপক চাষ হয়েছে। সয়াবিন ও বাদামের এই দ্বিমুখী ব্যস্ততা পাল্টে দিয়েছে উপজেলার গ্রামীণ অর্থনীতির চিত্র।
কৃষকদের প্রত্যাশা স্থানীয় কয়েকজন কৃষক জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার পোকা-মাকড়ের উপদ্রব কিছুটা কম। যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয়, তবে এবার সয়াবিন ও বাদামের বাম্পার ফলন হবে বলে তারা আশা করছেন। তবে উৎপাদিত ফসলের সঠিক বাজারমূল্য পাওয়া নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তাও রয়েছে তাদের মনে। তারা সরকারের কাছে দাবি জানান যেন সিন্ডিকেট মুক্ত বাজার ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান আবহাওয়া বজায় থাকলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।