May 4, 2026, 11:24 am
শিরোনাম:
৯৯৯–এ ফোন পেয়ে ভোরে চান্দিনা থানা পুলিশের ঝটিকা অভিযান, কামারখোলা গ্রাম থেকে আটক ৪; পলাতকদের খোঁজে অভিযান বিশ্ব গনমাধ্যম দিবসে সাংবাদিকদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের র‍্যলী সুন্দরগঞ্জের শান্তিরামে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত কলরেকর্ড এডিট করে গণমাধ্যমে ভাইরাল, শ্রমিকদলের সভাপতির প্রতিবাদ পাইকগাছায় সুদখোরের অত্যাচারে সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে পরিবার ফরিদপুরে হামের প্রকোপে এক শিশুর মৃত্যু হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে: ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ৬ কিলোমিটার খাল খননের মহোৎসব শুরু এই প্রথম ও একমাত্র রামদিয়াতে আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন করেছে অনুসন্ধানী সাংবাদিক সংগঠন “কাশিয়ানী রিপোর্টার্স ফোরাম। রামপালে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ডজনখানেক মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে মদ, সিরাপ ও ভায়াগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার

পাইকগাছায় সুদখোরের অত্যাচারে সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে পরিবার

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি

পাইকগাছায় এক কথিত সুদখোরের অত্যাচারে একটি পরিবার সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
সোমবার (৪ মে) সকালে পাইকগাছা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো. রবিউল ইসলাম অভিযোগ করেন, পারিবারিক জরুরি প্রয়োজনের কারণে তিনি স্থানীয় আবুল কালাম আজাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। ঋণ নেওয়ার সময় নিরাপত্তা হিসেবে তার ও তার স্ত্রীর স্বাক্ষরিত ফাঁকা চেক ও নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প নেওয়া হয়।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে তিনি বিভিন্ন সময়ে মোট ৯৮ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন এবং বাকি পাওনা পরিশোধে প্রস্তুত রয়েছেন। কিন্তু এরপরও আবুল কালাম আজাদ অতিরিক্ত টাকা দাবি করে আসছেন। কখনো ৫ লাখের বেশি, আবার কখনো ৩০ লাখ টাকা দাবি করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, টাকা পরিশোধের পরও তার কাছ থেকে জামানত রাখা চেক ও স্ট্যাম্প ফেরত দেওয়া হচ্ছে না। উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, জেল হাজতের ভয় দেখানো এবং চাকরি হারানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি তার জান-মালের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে একই কৌশলে এলাকার বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্প নিয়ে সুদের ব্যবসা চালিয়ে আসছেন এবং একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে হয়রানি করছেন।
এ বিষয়ে দ্রুত তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, অবৈধ সুদের ব্যবসা বন্ধ এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান তিনি।