June 21, 2026, 6:54 pm
শিরোনাম:
বাঙালি জাতি চিরদিন তোফায়েল আহমেদকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে নিউইয়র্কে শোক সভায় বক্তারা ‎সিরাজগঞ্জে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষ বিতরণ,কবিতা আবৃত্তি,চিত্রাঙ্কন ও পুরস্কার বিতরণ কমলনগরে অসহায় বৃদ্ধের জমি দখল থানায় অভিযোগ মসিকের অভিযানে লাইসেন্সবিহীন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর বিরুদ্ধে অভিযান জরিমানা ও অর্থদণ্ড আদায় বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ হলেন পটুয়াখালীর গলাচিপার ইউএনও তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে রংপুর অঞ্চলে বন্যার আভাস, দ্বিতীয় তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধে ভাঙন সিরাজগঞ্জে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষ বিতরণ, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন ও পুরস্কার বিতরণ কমলনগরের দুই সম্মানিত ব্যবসায়ীকে ‘জলদস্যু’ সাজানোর অপচেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় খুলনায় ৭১ টেলিভিশন অফিসে দুর্ধর্ষ চুরি, চোর চক্র সক্রিয়, প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে চুরি পাইকগাছায় দীর্ঘদিন সংস্কার অভাবে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক জরাজীর্ণ! চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী!!

হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে: ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ৬ কিলোমিটার খাল খননের মহোৎসব শুরু

ফরিদপুর প্রতিনিধি

নদী ভরা মাছ আর গোলা ভরা ধান’—বাংলার সেই চিরচেনা রূপ কি আবারও ফিরে আসবে? চরভদ্রাসনের প্রান্তিক কৃষকদের মনে এখন এমনটাই আশার সঞ্চার হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় শুরু হয়েছে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল খননের এক বিশাল কর্মযজ্ঞ।
রবিবার বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

উপজেলার দুটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়নের কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে গতি আনতে এই খনন কাজ শুরু হয়েছে। যার বিস্তৃতি:

সদর ইউনিয়ন: সবুল্ল্যা শিকদার ডাঙ্গী থেকে সর্দার বাড়ি ব্রীজ পর্যন্ত ৩ কিমি।

গাজীরটেক ইউনিয়ন: চরহাজীগঞ্জ বাজার থেকে তেইলী বাড়ি গ্রাম পর্যন্ত ৩ কিমি।

ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান বাবুল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই খনন কাজের শুভ সূচনা করেন। কোদাল দিয়ে মাটি কেটে তিনি যেন এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “এক সময় বাংলার প্রতিটি গৃহস্থের গোলায় ধান আর নদীতে রুপালি মাছের প্রাচুর্য ছিল। ফারাক্কার বিরূপ প্রভাব ও প্রকৃতির বিবর্তনে সেই ঐতিহ্য আজ বিলীনপ্রায়। আমরা আবারও সেই সুদিন ফিরিয়ে আনতে চাই। খাল খনন কেবল মাটি কাটা নয়, এটি আমাদের প্রাণপ্রকৃতি ও কৃষিকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াই।”

অনুষ্ঠানে বক্তারা এই প্রকল্পের বহুমুখী সুফলের কথা তুলে ধরেন:

কৃষির সঞ্জীবন: সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে ফসলি জমিতে পানির নিশ্চয়তা প্রদান।

পরিবেশের ভারসাম্য: ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ঠিক রাখা এবং ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ।

নীল অর্থনীতি: খালের বদ্ধ ও প্রবাহমান পানিতে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি।

সবুজ বেষ্টনী: খনন শেষে খালের দুই পাড়ে পরিকল্পিত বনায়ন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া মমতাজ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) যায়েদ হোসাইন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস.এম. মেশকাতুল ইসলাম এবং থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ।