May 1, 2026, 2:19 am
শিরোনাম:
অতিবৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা: কৃষক ও সাধারণ মানুষের পাশে চেয়ারম্যান প্রার্থী আনিছ ফরিদপুরে সাপের ছোবল খেয়ে সাপ নিয়েই চিকিৎসকের কাছে রিপন নরসিংদীতে ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে তিন গম্বুজ জামে মসজিদের-শত শত বছরের প্রাচীন ইতিহাস, রহস্য, জনশ্রুতি ও ঐতিহ্যে ঘেরা এক অনন্য নিদর্শন জামালপুরে STJSS এর উদ্যোগে যুব ইয়ুথদের সাথে অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্টারেক্টিভ সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক সেশন রাজধানীর পল্লবীতে একটি রিভালবারসহ ৫৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পল্লবী থানা পুলিশ টাঙ্গাইল মেডিকেলে মাথায় অক্সিজেন সিলিন্ডার পড়ে রোগীর মৃত্যু শ্রমের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় মহান মে দিবসে ঐক্যের ডাক: ১ মে শ্রমিক সমাবেশে যোগদানের আহ্বান ফরিদপুরে নিখোঁজ শিশুর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেগ-উচ্ছ্বাসে উদযাপিত গ্র্যাজুয়েশন দিবস ২০২৬

ভরতখালীতে শাটল ট্রেন চাই: যোগাযোগ সংকটে জোরালো জনদাবি, মানববন্ধনের পরও অগ্রগতি নেই

‎মোঃ মাহমুদুল হাবিব রিপন, গাইবান্ধা:

‎গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ভরতখালী রেলস্টেশন পুনরায় চালু এবং বোনারপাড়া জংশন থেকে ভরতখালী পর্যন্ত শাটল ট্রেন চালুর দাবিতে স্থানীয়দের জনদাবি দিন দিন জোরালো হচ্ছে। একাধিক মানববন্ধন ও গণকর্মসূচির পরও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না থাকায় হতাশা বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

‎স্থানীয়দের মতে, ভরতখালী ও ফুলছড়ি ঘাট উত্তরাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে বিপুল পরিমাণ কৃষিপণ্য, মাছ, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী দেশের বিভিন্ন জেলায়, এমনকি রাজধানীমুখী পরিবহন করা হয়। কিন্তু সরাসরি রেলসংযোগ না থাকায় পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে, সময় নষ্ট হচ্ছে এবং ব্যবসায়ীরা প্রত্যাশিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

‎এলাকাবাসী জানান, ভরতখালী থেকে গাইবান্ধা শহরে যেতে প্রায় ২০ কিলোমিটার ঘুরপথে যেতে হয় অথবা বোনারপাড়া রেলস্টেশনের ওপর নির্ভর করতে হয়। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি যেমন বাড়ছে, তেমনি ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে।

‎স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কৃষকদের দাবি, একটি শাটল ট্রেন চালু হলে শুধু যাত্রী পরিবহনই সহজ হবে না, বরং পণ্য পরিবহনেও গতি আসবে। এতে কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য পাওয়া সহজ হবে এবং বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।

‎মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয়রা বলেন,
‎“আমরা আগে মানববন্ধন করেছি, এখনো দাবি একই আছে। ভরতখালীতে শাটল ট্রেন চালু হলে
‎হাজারো মানুষের যাতায়াত সহজ হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

‎রেলওয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ভরতখালী স্টেশন চালু ও শাটল ট্রেন চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। যাত্রী চাহিদা, অবকাঠামো এবং কারিগরি বিষয়গুলো যাচাই করে সম্ভাব্যতা পরীক্ষা চলছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
‎স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, ভরতখালীতে রেলসংযোগ চালু হলে এই অঞ্চলটি উত্তরাঞ্চলের একটি বড় বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে আরও বিকশিত হবে।

‎সচেতন মহলের মতে, ভরতখালী রেলস্টেশন শুধুমাত্র একটি যোগাযোগ মাধ্যম নয়, এটি এলাকার অর্থনীতি, ঐতিহ্য ও সম্ভাবনার সঙ্গে জড়িত। তাই পরিকল্পিতভাবে স্টেশন পুনরুজ্জীবন এবং শাটল ট্রেন চালু করা হলে তা হবে একটি সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ।

‎এখন এলাকাবাসীর একটাই প্রত্যাশা-দীর্ঘদিনের এই জনদাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করে ভরতখালীকে আবারও রেল মানচিত্রে ফিরিয়ে আনা হোক।