June 15, 2026, 7:24 am
শিরোনাম:
নিখোঁজ মুক বধিরের খোঁজে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে উস্তি থানার এসআই পার্থ সাহা বাংলাদেশের ঐতিহাসিক কূটনৈতিক সাফল্যে অভিনন্দন দেশবন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ সিরাজগঞ্জে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন এমপি আমির হামজা! গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ফেসবুকে অপপ্রচারের ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি প্রদান বহিরাগত প্রো-ভিসি নিয়োগ প্রত্যাখ্যান: গাকৃবিতে শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন, প্রশাসনিক ভবন অবরুদ্ধ শরীয়তপুরের চন্দ্রপুরের কীর্ত্তীনগর যুব সমাজ কল্যাণ সংগঠন অসহায় প্রতিবন্ধী কুলসুমকে ঘর উপহার দিল: আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কুলসুমের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ টাঙ্গাইলে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মায়ের মরদেহ আটক করে ছেলেকে কান ধরে উঠবস

সয়াবিন চাষে ব্যস্ত কমলনগরের কৃষকরা: বাম্পার ফলনের হাতছানি

কবির হোসেন রাকিব , কমলনগর লক্ষ্মীপুর:

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় বর্তমানে কৃষকদের দম ফেলার ফুসরত নেই। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন শুধু সবুজের সমারোহ। উপকূলীয় এ অঞ্চলের প্রধান অর্থকরী ফসল সয়াবিন ও বাদাম চাষে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় কৃষকরা। বিশেষ করে সয়াবিন চাষে এবার ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে এই জনপদে।
মাঠে মাঠে কর্মযজ্ঞ সরেজমিনে কমলনগরের বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, ভোরের আলো ফোটার আগেই কৃষকরা লাঙল, কোদাল আর বীজ নিয়ে মাঠে নেমে পড়ছেন। কেউ নিড়ানি দিচ্ছেন, কেউ পোকা দমনে ব্যস্ত, আবার কেউবা গাছের পরিচর্যা করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফসলের চেহারা বেশ ভালো বলে জানিয়েছেন চাষিরা।
সয়াবিনের রাজধানী কমলনগর উপজেলাকে সয়াবিনের অন্যতম প্রধান উৎপাদনস্থল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। স্থানীয় কৃষকদের মতে, ধান বা অন্য ফসলের তুলনায় সয়াবিন চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশি। এছাড়া এই অঞ্চলের মাটি সয়াবিন চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় বছরের এই সময়ে অধিকাংশ জমি সয়াবিন চাষের আওতায় চলে আসে।
বাদাম চাষের চিত্র সয়াবিনের পাশাপাশি চরাঞ্চলে চীনাবাদামেরও ব্যাপক চাষ হয়েছে। সয়াবিন ও বাদামের এই দ্বিমুখী ব্যস্ততা পাল্টে দিয়েছে উপজেলার গ্রামীণ অর্থনীতির চিত্র।
কৃষকদের প্রত্যাশা স্থানীয় কয়েকজন কৃষক জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার পোকা-মাকড়ের উপদ্রব কিছুটা কম। যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয়, তবে এবার সয়াবিন ও বাদামের বাম্পার ফলন হবে বলে তারা আশা করছেন। তবে উৎপাদিত ফসলের সঠিক বাজারমূল্য পাওয়া নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তাও রয়েছে তাদের মনে। তারা সরকারের কাছে দাবি জানান যেন সিন্ডিকেট মুক্ত বাজার ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান আবহাওয়া বজায় থাকলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।