July 29, 2026, 5:34 pm
শিরোনাম:
গঙ্গাচড়ায় গর্তে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি গাইবান্ধায় আড়াই বছর ধরে আটকে রয়েছে ৭টি সেতুর কাজ, ৪টি সেতুর কাজ শুরু হয়নি রামগতিতে পানির লাইন খুঁড়তে মিলল তিনটি মর্টার শেল সদৃশ বস্তু নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩ এর উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সুধী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে “নাগরিক ভাবনাঃ আমাদের করণীয়” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের নবনিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আকরাম এলাহী মাদকবিরোধী অভিযানে কৃতিত্বের স্বীকৃতি, সম্মানিত রাঙ্গামাটি পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন আলমগীর শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক ৩ জাপানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩, চলছে উদ্ধার অভিযান জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

কমলনগরে চায়না দুয়ারী জালে মৎস্য সম্পদ ধ্বংস: মৎস্য কর্মকর্তার নীরবতায় ক্ষোভ, অভিযানের আশ্বাস ইউএনও’র

​কবির হোসেন রাকিব , (লক্ষ্মীপুর):

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারী’ জালের অবাধ ব্যবহারে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে দেশীয় মৎস্য সম্পদ। নদী-নালা, খাল-বিল ও জলাশয় থেকে ছোট-বড় সব ধরনের পোনামাছ ও ডিম্বোলা মাছ নির্বিচারে নিধন করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় মৎস্য সম্পদ পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে পড়লেও উপজেলা মৎস্য বিভাগ রহস্যজনকভাবে নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে এক শ্রেণির অসাধু মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ী প্রকাশ্যেই নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল পেতে রাখছেন। এই জালের বিশেষ গঠনবিন্যাসের কারণে খুব ছোট পোনাসহ যেকোনো জলজ প্রাণী একবার ভেতরে ঢুকলে আর বের হতে পারে না। ফলে প্রাকৃতিকভাবে মাছের বংশবৃদ্ধি চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
​এলাকাবাসীর অভিযোগ, উপজেলায় নিষিদ্ধ জালের এমন ভয়াবহ ব্যবহার চললেও স্থানীয় মৎস্য কর্মকর্তা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। তাঁর এই নীরব ও উদাসীন ভূমিকার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “মৎস্য বিভাগের সঠিক তদারকি ও নিয়মিত অভিযান না থাকায় দিন দিন এই নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার জ্যামিতিক হারে বাড়ছে।”
​এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, প্রশাসন মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সচেষ্ট রয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের অভিযান চলমান আছে। নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে আমরা সামনে আরও জোরালো অভিযান পরিচালনা করব।”
​স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, দেশীয় মাছের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে মৎস্য বিভাগের নিষ্ক্রিয়তা ভেঙে দ্রুত ও নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে এই নিষিদ্ধ জাল পুরোপুরি বাজেয়াপ্ত এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *