June 17, 2026, 2:40 pm
শিরোনাম:
‎প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের হয়রানী মূলক মামলার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিকদের মানববন্ধন মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলে ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন বাঁশখালী থানার রবিউল হক জাতীয় পর্যায়ে উচ্চলাফে চতুর্থ জামিলা সম্মাননা দিল প্রশাসন হকার উচ্ছেদ এর প্রতিবাদে কলকাতার রাজপথে মমতা মধুখালীতে সাপের কামড় সচেতনতা বিষয়ক কর্মশালা জনকল্যাণ কর্মসূচি দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে দিতে ফলতায় সভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মানবতার অনুপ্রেরণার প্রতীক অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন শিবচরে শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছায় রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করতে ব্যতিক্রমী আয়োজন কমলনগরে মিসকেস আদালতে ভুয়া দলিল দাখিল: ভাই-বোনকে ১ মাসের কারাদণ্ড

মানবতার অনুপ্রেরণার প্রতীক অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, গণমাধ্যম ও মানবিক কর্মকাণ্ডের অঙ্গনে সুপরিচিত ও শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর শুভ জন্মদিন ১৮ জুন। এ উপলক্ষে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শুভানুধ্যায়ী, সহকর্মী ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

মানবিকতা, সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিবেদিতপ্রাণ এই নারীনেত্রী অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু ১৯৭৯ সালের ১৮ জুন ঢাকায় জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর গ্রামের বাড়ী মুন্সীগঞ্জ জেলার রামপাল এলাকায়। তাঁর পিতা দেওয়ান মোঃ সাইদুর রহমান এবং মাতা লুৎফা বেগম। বর্তমানে তিনি ঢাকার সায়দাবাদে নিজ বাসভবনে বসবাস করছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন ভ্রমণপ্রিয় মানুষ। বাংলাদেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের পাশাপাশি বিশ্বের নানা দেশের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান পরিদর্শন করেছেন। ভ্রমণের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়া তাঁর অন্যতম আগ্রহের বিষয়।

একনজরে অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর প্রিয় বিষয়সমূহ: প্রিয় মুহূর্ত: প্রিয়জনদের সান্নিধ্যে কাটানো সময়। প্রিয় খাবার: পছন্দনীয় ও রুচিসম্মত খাবার। প্রিয় খেলা: ক্রিকেট। প্রিয় শখ: ভ্রমণ করা। প্রিয় কাজ: যে কোনো কাজ, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পন্ন করা। প্রিয় কবি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। প্রিয় সঙ্গীত: বাছাইকৃত ও হৃদয়ছোঁয়া গান। প্রিয় পোশাক: থ্রি-পিস। প্রিয় ঋতু: ঋতুরাজ বসন্ত। প্রিয় খেলোয়াড়: ডিয়েগো ম্যারাডোনা। প্রিয় গায়ক: অ্যান্ড্রু কিশোর। প্রিয় স্থান: নিজের বাড়ী। প্রিয় মানুষ: পরিবার এবং একান্ত কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধু-বান্ধব। জীবনদর্শন: মানুষের কল্যাণে কাজ করা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে এগিয়ে চলা।

অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী একজন সফল সংগঠক ও সমাজসেবী। তিনি বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক ফোরাম (বিটিএসএফ)-এর উপদেষ্টা, এস আর মাল্টিমিডিয়া প্রোডাকশন হাউজের স্বত্বাধিকারী, এস আর ক্রীড়া সংঘ-এর সভাপতি, এস আর “ল” অ্যাসোসিয়েট-এর হেড অফ চেম্বার, লায়ন ক্লাবের মেম্বার, ফিল্ম ক্লাবের মেম্বার, টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের মেম্বার, আর জে এফ-এর উপদেষ্টা এবং হাস্যউজ্জ্বল ফোরাম (হাউফো)-এর কো-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি একজন সফল রাজনীতিবিদ। এছাড়াও তিনি সমাজসেবিকা, শিক্ষানুরাগী, ক্রীড়া সংগঠক, সাংবাদিক, কবি, মানবাধিকারকর্মী ও সফল প্রযোজক হিসেবে সুপরিচিত।

মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ এই ব্যক্তিত্ব দীর্ঘদিন ধরে অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। তাঁর দানশীলতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। মানুষের জন্য কাজ করাকেই তিনি জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা বলে মনে করেন।

শিক্ষা বিস্তার, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং সচেতন সমাজ গঠনে তাঁর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তরুণ প্রজন্মকে সুশিক্ষা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। একইসঙ্গে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুবসমাজকে ইতিবাচক পথে পরিচালিত করার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার আন্দোলনে তিনি সত্য, ন্যায় ও গণমানুষের অধিকারের পক্ষে একজন সাহসী কণ্ঠস্বর। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার অবস্থান এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা তাঁকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে।

একজন কবি ও সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তাঁর রয়েছে স্বতন্ত্র পরিচিতি। তাঁর লেখনীতে মানবতা, ভালোবাসা, সমাজের বাস্তবতা এবং জীবনের গভীর অনুভূতির প্রতিফলন ঘটে।

পাশাপাশি সফল প্রযোজক হিসেবে গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু শুধু একটি নাম নন; তিনি মানবিকতা, সততা, সাহস, সৃজনশীলতা ও সমাজসেবার এক উজ্জ্বল প্রতীক। তাঁর কর্মময় জীবন ও মানবকল্যাণে নিবেদিত অবদান আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

জন্মদিনে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, সুখ, শান্তি এবং উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছেন সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষ। মানবতার পথে তাঁর এই আলোকিত যাত্রা আরও দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ হোক, এটাই সবার প্রত্যাশা।