May 3, 2026, 8:24 pm
শিরোনাম:
হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে: ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ৬ কিলোমিটার খাল খননের মহোৎসব শুরু এই প্রথম ও একমাত্র রামদিয়াতে আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন করেছে অনুসন্ধানী সাংবাদিক সংগঠন “কাশিয়ানী রিপোর্টার্স ফোরাম। রামপালে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ডজনখানেক মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে মদ, সিরাপ ও ভায়াগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার ডাকাতির প্রস্তুতিকালে টঙ্গীতে ৩ জন গ্রেফতার, সুইচ গিয়ার উদ্ধার ২ বছরের কন্যা মুসলিমার কেউ রইল না আন্তর্জাতিক মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবে আলোচনা সভা টাঙ্গাইলে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত এপেক্স ক্লাব অব আগ্রাবাদ- ২০২৬ ইং এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন  মোহাম্মদ আবদুর রহিম খন্দকার কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক নাজমুন নাহারের প্রতিবাদ: ‘অনুপস্থিত থেকে বেতন তুলে নেওয়ার সংবাদটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’

হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে: ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ৬ কিলোমিটার খাল খননের মহোৎসব শুরু

ফরিদপুর প্রতিনিধি

নদী ভরা মাছ আর গোলা ভরা ধান’—বাংলার সেই চিরচেনা রূপ কি আবারও ফিরে আসবে? চরভদ্রাসনের প্রান্তিক কৃষকদের মনে এখন এমনটাই আশার সঞ্চার হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় শুরু হয়েছে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল খননের এক বিশাল কর্মযজ্ঞ।
রবিবার বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

উপজেলার দুটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়নের কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে গতি আনতে এই খনন কাজ শুরু হয়েছে। যার বিস্তৃতি:

সদর ইউনিয়ন: সবুল্ল্যা শিকদার ডাঙ্গী থেকে সর্দার বাড়ি ব্রীজ পর্যন্ত ৩ কিমি।

গাজীরটেক ইউনিয়ন: চরহাজীগঞ্জ বাজার থেকে তেইলী বাড়ি গ্রাম পর্যন্ত ৩ কিমি।

ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান বাবুল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই খনন কাজের শুভ সূচনা করেন। কোদাল দিয়ে মাটি কেটে তিনি যেন এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “এক সময় বাংলার প্রতিটি গৃহস্থের গোলায় ধান আর নদীতে রুপালি মাছের প্রাচুর্য ছিল। ফারাক্কার বিরূপ প্রভাব ও প্রকৃতির বিবর্তনে সেই ঐতিহ্য আজ বিলীনপ্রায়। আমরা আবারও সেই সুদিন ফিরিয়ে আনতে চাই। খাল খনন কেবল মাটি কাটা নয়, এটি আমাদের প্রাণপ্রকৃতি ও কৃষিকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াই।”

অনুষ্ঠানে বক্তারা এই প্রকল্পের বহুমুখী সুফলের কথা তুলে ধরেন:

কৃষির সঞ্জীবন: সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে ফসলি জমিতে পানির নিশ্চয়তা প্রদান।

পরিবেশের ভারসাম্য: ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ঠিক রাখা এবং ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ।

নীল অর্থনীতি: খালের বদ্ধ ও প্রবাহমান পানিতে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি।

সবুজ বেষ্টনী: খনন শেষে খালের দুই পাড়ে পরিকল্পিত বনায়ন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া মমতাজ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) যায়েদ হোসাইন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস.এম. মেশকাতুল ইসলাম এবং থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ।