লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মহিউদ্দিন নামের এক ভূমিদস্যুর বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের দক্ষিণ টুমচর গ্রামে। প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী রিয়াজ মাহমুদ বিনু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ২০২৩-২৪ ইং অর্থ বছরে রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের দক্ষিণ টুমচর মৌজার ৮৫৩৬ নম্বর দাগে ভুক্তভোগী রিয়াজ মাহমুদ বিনুকে সরকারের এক নম্বর খাস খতিয়ানের ১ একর ৫০ শতক জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। সরকার থেকে বন্দোবস্ত নিয়ে বিনু ওই জমিতে চাষাবাদ করে। ধান চাষ করে ফসল তোলার সময় হঠাৎ ওই এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু মহিউদ্দিন ও শাহাদাত তাদের দলবল নিয়ে জমির সকল ফসল তুলে নিয়ে যায়। এবং ওই জমিতে বিনুকে চাষাবাদ করতে বাধা দেন। পরে বিনু জমি ও ফসল উদ্ধারের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে ইউনিয়ন উভয়পক্ষকে ডেকে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারকে দিয়ে জমির পরিমাপ করেন। সরকারি সার্ভেয়ার জমি পরিমাপ করে বিনুকে বন্দোবস্ত দেওয়া ওই জমি মেপে বুঝিয়ে দেন। ইউএনও বিনুর পক্ষে রায় দেন। কিন্তু ভূমিদস্যু মহিউদ্দিন ও শাহাদাত এ রায় অমান্য করে বিনুকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। পরে বিষয়টি রামগতি থানার ওসিকে অবহিত করা হলে তৎকালীন ওসি ওই জমিতে বিনুকে ফসল চাষ করতে বলেন। কিন্তু তাতেও বাঁধা দেন ভূমিদস্যু মহিউদ্দিন। ভূমিদস্যু মহিউদ্দিনের হাত থেকে জমি উদ্ধারে বিনু সংশ্লিষ্টদের সহায়তা কামনা করেন।
রিয়াজ মাহমুদ বিনু বলেন, সরকার তাকে ওই জমি বন্দোবস্ত দিয়েছেন। কিন্তু ভূমিদস্যু মহিউদ্দিন লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে তার জমি দখলের চেষ্টা চালায়। তিনি নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে আসলেও তাকে তার জমিতে চাষাবাদ করতে বাঁধা দিচ্ছে মহিউদ্দিন।
অভিযুক্ত মহিউদ্দিন বলেন, আমরা তাকে কেন বাঁধা দিবো?। সে তার জমিতে চাষাবাদ করুক, এতে তাদের কোন আপত্তি নেই।
রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি লিটন দেওয়ান বলেন, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ তিনি পেয়েছেন। সরকার কর্তৃক বন্দোবস্ত জমি দখলের অপচেষ্টা করা হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।