বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, গণমাধ্যম ও মানবিক অঙ্গনে অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন এবং পরিচিত একটি নাম এ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু।
তিনি একাধারে বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক ফোরাম (বিটিএসএফ)-এর উপদেষ্টা, এস আর মাল্টিমিডিয়া প্রোডাকশন হাউজের স্বত্ত্বাধিকারী, হাস্যউজ্জ্বল ফোরাম (হাউফো)-এর কো-চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজসেবিকা, শিক্ষানুরাগী, ক্রীড়া সংগঠক, সাংবাদিক, কবি, মানবাধিকার সংগঠক, সফল প্রযোজক ও সদা হাস্যউজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেশব্যাপী সুপরিচিত। কর্ম, মেধা, সততা ও মানবিক গুণাবলীর মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেছেন অসংখ্য মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন ও অনুপ্রেরণার প্রতীক।
সমাজের অবহেলিত, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো যেন তার জীবনের এক মহৎ ব্রত। মানুষের দুঃখ-কষ্টে সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে তিনি মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার মানবিক কর্মকাণ্ড, দানশীলতা ও সমাজকল্যাণমূলক উদ্যোগ ইতোমধ্যে সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, মানুষের জন্য কাজ করাই জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।
হাস্যউজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব শাহিদা রহমান রিংকু একজন প্রাণবন্ত ও সদালাপী মানুষ। তাঁর মিষ্টি হাসি, আন্তরিক ব্যবহার এবং সবার সাথে সহজে মিশে যাওয়ার গুণ তাঁকে সবার কাছে প্রিয় করে তুলেছে। তিনি সবসময় ইতিবাচক চিন্তা করেন এবং আশেপাশের মানুষদের আনন্দে রাখার চেষ্টা করেন। তাঁর ব্যক্তিত্বে রয়েছে আত্মবিশ্বাস, ভদ্রতা ও মানবিকতা, যা সহজেই মানুষের মন জয় করে নেয়।
শিক্ষা বিস্তার ও সচেতন সমাজ গঠনে তার অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয়। একজন শিক্ষানুরাগী হিসেবে তিনি সবসময় জ্ঞানভিত্তিক ও আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তরুণ প্রজন্মকে সুশিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে তার নিরলস প্রচেষ্টা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা বহন করছে।
ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তরুণ সমাজকে মাদক, অপরাধ ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের জন্য তিনি সবসময় উৎসাহ দিয়ে থাকেন। তার এই উদ্যোগ যুবসমাজের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।
সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার আন্দোলনে তিনি একজন সাহসী ও দায়িত্বশীল কণ্ঠস্বর। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান তার।গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচারের পক্ষে তার নিরলস সংগ্রাম তাকে মানুষের আরও কাছে নিয়ে গেছে।
একজন কবি ও সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তার রয়েছে স্বতন্ত্র পরিচিতি। তার লেখনীতে ফুটে ওঠে মানবতা, ভালোবাসা, সমাজের বাস্তবতা ও জীবনের গভীর অনুভূতি। পাশাপাশি একজন সফল প্রযোজক হিসেবে মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তিনি রেখে চলেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
মানবতার আলোকবর্তিকা এ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু শুধু একটি নাম নয়, তিনি মানবিকতা, সাহস, সততা, সৃজনশীলতা ও সমাজসেবার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। তার কর্মময় জীবন, মানবকল্যাণে নিবেদিত প্রচেষ্টা ও অনন্য অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।
এ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, সুখ, শান্তি ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছেন সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষ। মানবতার পথে তার এই মহৎ যাত্রা আরও দীর্ঘ ও আলোকিত হোক, এই প্রত্যাশা রইলো।