July 29, 2026, 4:51 pm
শিরোনাম:
গঙ্গাচড়ায় গর্তে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি গাইবান্ধায় আড়াই বছর ধরে আটকে রয়েছে ৭টি সেতুর কাজ, ৪টি সেতুর কাজ শুরু হয়নি রামগতিতে পানির লাইন খুঁড়তে মিলল তিনটি মর্টার শেল সদৃশ বস্তু নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩ এর উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সুধী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে “নাগরিক ভাবনাঃ আমাদের করণীয়” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের নবনিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আকরাম এলাহী মাদকবিরোধী অভিযানে কৃতিত্বের স্বীকৃতি, সম্মানিত রাঙ্গামাটি পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন আলমগীর শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক ৩ জাপানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩, চলছে উদ্ধার অভিযান জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

কমলনগর হাজিরহাট বাজারে শেডহীন মাছ বাজার, বর্ষায় চরম ভোগান্তির আশঙ্কা

​কবির হোসেন রাকিব , (লক্ষ্মীপুর)থেকে

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হাজিরহাট বাজারে একটি স্থায়ী মাছ বাজার বা পর্যাপ্ত টুল ঘর (শেড) না থাকায় চরম ক্ষোভ ও বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় ক্রেতা-বিক্রেতারা। সামনেই আসছে বর্ষা মৌসুম, অথচ বাজারের বিশাল এই মাছ বাজারে ছাউনি বা স্থায়ী কোনো অবকাঠামো না থাকায় আসন্ন মৌসুমে ব্যবসা পরিচালনা এবং কেনাকাটা নিয়ে জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
​হাজিরহাট বাজার উপজেলার প্রাণকেন্দ্র হওয়ায় প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। বিশেষ করে মাছ বাজারের ওপর নির্ভর করে উপকূলীয় এই অঞ্চলের কয়েক হাজার পরিবার। সরজমিনে দেখা যায়, বাজারের মাছ বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট কোনো শেড বা টুল ঘর না থাকায় বিক্রেতারা খোলা আকাশের নিচেই পসরা সাজিয়ে বসছেন।
​স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়েই বছরের পর বছর তারা এখানে লেনদেন করছেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো বাজার এলাকা কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। উপরন্তু মাথার ওপর কোনো ছাউনি না থাকায় মাছের গুণগত মান যেমন নষ্ট হয়, তেমনি বৃষ্টিতে ভিজে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়কেই চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
​জনমতে প্রশ্ন ও বর্তমান চিত্র:
বাজারের সচেতন মহলের প্রশ্ন— এত বড় একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারে কেন আজ পর্যন্ত একটি আধুনিক মাছ বাজার বা টুল ঘর নির্মিত হলো না? বর্ষার সিজনে যখন অবিরাম বৃষ্টি থাকবে, তখন ক্রেতারা কিভাবে বাজারে আসবেন এবং বিক্রেতারাই বা কোথায় বসে মাছ বিক্রি করবেন? এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।
​মাছ বিক্রেতারা জানান, “সামনে বর্ষা আসছে, বৃষ্টি শুরু হলে আমাদের পক্ষে খোলা জায়গায় বসে ব্যবসা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। অনেক সময় মাছ ভিজে নষ্ট হয়ে যায়, আবার ক্রেতারাও বৃষ্টির কারণে বাজারে আসতে চান না। আমাদের জন্য দ্রুত একটি সরকারি শেড বা টুল ঘর নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি।”
​অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, “হাজিরহাট বাজার আমাদের প্রধান ভরসা। কিন্তু মাছ বাজারের এই বেহাল দশার কারণে বর্ষাকালে এখানে পা রাখা দুষ্কর হয়ে পড়ে। কর্তৃপক্ষের উচিত অতি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা।”
​স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী দাবি জানিয়েছেন যে, বর্ষা শুরুর আগেই যেন মাছ বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো বা শেড নির্মাণের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। অন্যথায়, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে উপকূলীয় এই জনপদের প্রধান বাজারে কেনাকাটা ও ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *