দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে হাম রোগের প্রভাব। শিশুদের নিয়ে পিতা-মাতার দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে হাম নামক ছয়েছে রোগটি । জ্বর সর্দি-কাশি ডায়রিয়া হলে শিশু হাসপাতলে ভর্তি করতে ভয় পাচ্ছে শিশুরোগির অভিভাবকেরা। কারণ জ্বর সর্দি কাশি পেটের সমস্যার কারণের পাশাপাশি হাম রোগ টা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার বিষয় সঠিক পরীক্ষা না করে একই ক্যাবিনের মধ্যে জ্বর সর্দি কাশির পাশাপাশি হাম রোগের রোগী ভর্তি করা হচ্ছে। প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত না হলেও দুই একদিনের মধ্যে হাম রোগীকে চিহ্নিত করতে পারছে হসপিটাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু দেরি হওয়ার কারণে অন্য রোগীদের মধ্যে হাম রোগটা ছড়িয়ে পড়ছে। খুলনা শিশু হাসপাতলে এমনটি ঘটছে প্রতিনিয়ত। শিশু রোগীর অভিভাবকের সাথে কথা বলে জানা যায় সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃত এমন ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তারা এটাও বলছে এখানে ডাক্তার নার্স অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নয় বলে এমনটি হতে পারে। রোগীর অভিভাবকরা আরো বলছে খুলনা মেডিকেল ও সদর হসপিটালের সেবিকারা অনেক অভিজ্ঞ যা শিশু হাসপাতালের ক্ষেত্রে উল্টো। ক্যাবিনে কাবিনে ঘুরে জানতে পারা যায় এমন ভাবে চলতে থাকলে হাম রোগীর সংখ্যা উদ্যোগ জনক হারে আরো বেশি বাড়বে। কর্তৃপক্ষের কাছে রোগীর অভিভাবকেরা সুদৃষ্টি কামনা করেছেন আগামীতে যেন এমনটি না ঘটে। অন্যদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায় গরমের সময় রোগীর অধিক চাপের কারণে কিছুটা ত্রুটি বিচ্যুতি হতে পারে, তবে আমরা চেষ্টা করছি এমনটি যেন না হয়।।