July 29, 2026, 4:58 pm
শিরোনাম:
গঙ্গাচড়ায় গর্তে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি গাইবান্ধায় আড়াই বছর ধরে আটকে রয়েছে ৭টি সেতুর কাজ, ৪টি সেতুর কাজ শুরু হয়নি রামগতিতে পানির লাইন খুঁড়তে মিলল তিনটি মর্টার শেল সদৃশ বস্তু নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩ এর উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সুধী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে “নাগরিক ভাবনাঃ আমাদের করণীয়” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের নবনিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আকরাম এলাহী মাদকবিরোধী অভিযানে কৃতিত্বের স্বীকৃতি, সম্মানিত রাঙ্গামাটি পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন আলমগীর শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক ৩ জাপানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩, চলছে উদ্ধার অভিযান জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

নিজের ভুলেই কোতোয়ালি থানার সামনে আটক ফুলপুরের আ’লীগ নেতা

​মোঃ রাসেল ফকির, ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ঠিক সামনের একটি চায়ের দোকানে নিজের সামান্য ভুলেই পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন ফুলপুর উপজেলার আমুয়া কান্দা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। পুলিশের একটি সাধারণ সালামে আতঙ্কিত হয়ে দৌড়ে পালাতে গিয়েই মূলত ফেঁসে যান এই রাজনৈতিক নেতা।

​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ঘাটের সামনের চায়ের দোকানটিতে প্রায় সময়ই পুলিশের অনেক সদস্য চা খেতে যান। প্রতিদিনের মতো আজ কেও সেখানে পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দোকানে বসে থাকা এক ব্যক্তিকে দেখে কর্তব্যরত পুলিশের সন্দেহ হয়। কৌতূহলবশত এক পুলিশ সদস্য ওই ব্যক্তিকে ‘সালাম’ দেন।

​কিন্তু পুলিশের এই স্বাভাবিক সালামেই চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি। তিনি কোনো কিছু না ভেবেই আচমকা ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন।
​তার এমন সন্দেহজনক দৌড় দেখে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরাও কালবিলম্ব না করে তার পেছনে ধাওয়া করেন। বেশ কিছুদূর ধাওয়া করার পর পুলিশ তাকে ধরে ফেলতে সক্ষম হয়। তবে ওই ব্যক্তিকে জাপটে ধরার সময় পুলিশের এক সদস্য মোটামুটি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

​আটক করার পর তাকে কোতোয়ালি মডেল থানায় নিয়ে এসে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে জানা যায়, আটক ব্যক্তি ময়মনসিংহ ফুলপুর উপজেলার আমুয়া কান্দা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।

​পুলিশ দেখে কেন এভাবে দৌড় দিলেন—জানতে চাইলে ওই আওয়ামী লীগ নেতা স্বীকার করেন যে, তার নামে এলাকায় দুটি রাজনৈতিক ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন নেওয়া থাকলেও, অন্য মামলাটিতে তার কোনো জামিন ছিল না। থানার সামনে পুলিশ দেখে তিনি ভেবেছিলেন পুলিশ হয়তো তাকেই গ্রেপ্তার করতে এসেছে। আর এই ভয় থেকেই তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন।

​কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটক রাজনৈতিক নেতা বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং কাল সকালেই তাকে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *