July 29, 2026, 5:01 pm
শিরোনাম:
গঙ্গাচড়ায় গর্তে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি গাইবান্ধায় আড়াই বছর ধরে আটকে রয়েছে ৭টি সেতুর কাজ, ৪টি সেতুর কাজ শুরু হয়নি রামগতিতে পানির লাইন খুঁড়তে মিলল তিনটি মর্টার শেল সদৃশ বস্তু নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩ এর উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সুধী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে “নাগরিক ভাবনাঃ আমাদের করণীয়” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের নবনিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আকরাম এলাহী মাদকবিরোধী অভিযানে কৃতিত্বের স্বীকৃতি, সম্মানিত রাঙ্গামাটি পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন আলমগীর শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক ৩ জাপানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩, চলছে উদ্ধার অভিযান জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

পূবাইলে মুদি দোকানি কুলসুম হত্যা: রহস্য উন্মোচন, রংপুর থেকে আটক ৩

মোঃ নাসির উদ্দিন, গাজীপুর

গাজীপুরের পূবাইল থানার মেঘডুবী এলাকায় মুদি দোকানি কুলসুম আক্তার (৪৬) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে রংপুর থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
পিবিআই সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল বিকেলে নিজ বাসায় নির্মমভাবে খুন হন কুলসুম আক্তার। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে মামলার তদন্তভার নেয় গাজীপুর জেলা পিবিআই। তদন্তের এক পর্যায়ে প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া থানা এলাকা থেকে তিন অভিযুক্তকে আটক করা হয়।
আটকরা হলেন— রফিকুল ইসলামের ছেলে কামরুজ্জামান (৩৫), বাদশা মিয়ার ছেলে আমজাদ হোসেন (৩০) ও আফজাল হোসেন (৩৩)। তারা সবাই পূবাইলের মেঘডুবী কড়ইটেক এলাকায় অবস্থিত এ ওয়ান পলিমার কারখানার শ্রমিক এবং ভিকটিমের বাসার পাশের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।
তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তরা নিয়মিত কুলসুম আক্তারের দোকান থেকে বাকিতে কেনাকাটা করতেন। বকেয়া টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কিছুদিন আগে কুলসুমের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। সেই বিরোধের জের ধরে এবং কুলসুম বাসায় একা থাকেন— এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ডাকাতির পরিকল্পনা করে তারা।
পিবিআই জানায়, হত্যার আগের দিন ২৫ এপ্রিল রাতে অভিযুক্তরা কুলসুম আক্তারকে জানায় যে তারা বাসায় গার্লফ্রেন্ড নিয়ে কিছু সময় কাটাতে চায়। কুলসুম এতে রাজি হয়ে পরদিন দুপুরে আসতে বলেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৬ এপ্রিল দুপুরে কামরুজ্জামান বিভিন্ন ধরনের ফল নিয়ে কুলসুমের বাসায় যায় এবং এনার্জি ড্রিংকের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে খাওয়ায়।
পরবর্তীতে ঘরে থাকা একটি ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে কুলসুমকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর অভিযুক্তরা ঘরে থাকা নগদ ৩ হাজার ২৫০ টাকা, শিশুদের হাতের চুড়ি, টিকলি ও গলার চেইন নিয়ে রংপুরে পালিয়ে যায়। পরে স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করতে গিয়ে তারা জানতে পারে সেগুলো আসলে স্বর্ণ নয়, সিটি গোল্ড।
পিবিআই আরও জানায়, আটক তিন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো দা ও বাঁশের লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *