বজ্রসমান বুক বেঁধে আজ নামব মোরা রণে,
মৃত্যুভয়কে বুড়ো আঙুল দেখাই মনে মনে!
কলম আমার শাণিত কৃপাণ, রক্তে জ্বলে আগুন,
সত্য বলায় শোষক গোষ্ঠীর বুকে কাঁপছে ফাগুন।
অচিনপুরের অজানা ভয়ে মন কি কাঁদে কভু?
রক্ত দিয়ে কিনব মোরা সত্যের জয়প্রভু!
অপ্রত্যাশিত সত্য যখন কাঁপিয়ে তোলে ভিত,
শাসক কিংবা শোষকদের ভেঙে দেয় হিতাহিত;
অমনি তারা তেড়ে আসে রে হিংস্র পশুর বেশে,
প্রাণটা নিতে চায় যে তারা এই পরাধীন দেশে!
বলিস তোরা— “সাংবাদিকের কিসের এত দোষ?”
লুকাস কেন নিজের পাপ আর কুৎসিত আক্রোশ?
সংবাদে কি ভাই থাকে মোদের ব্যক্তিগত খতিয়ান?
জনতার সেই বুকফাটা কান্না আর আর্তনাদ-বিয়ান!
সেখানে তো শোষিতেরই রক্ত ঝরে ক্ষণে ক্ষণে,
তবে কেন সাংবাদিকদের কাড়িস জীবন সর্পসম দংশনে?
অন্যায় কি ঢাকতে পারিস সত্যের ওই চাদরে?
বুলেটে কি থামাস মোদের এই দুর্বার আদরে?
স্বাধীন দেশের বুকে মোরা কেন তবে অপরাধী?
পরাধীনতার এই শৃঙ্খল আজই আমি ফালাফালা করি!
রক্ত ঝরে কলম থেকে, নিভে কি যায় আলো?
ভয়ের চোরাবালিতে কি সত্য হবে কালো?
রক্ত দিয়ে যদি কেনা হয় মানুষেরই অধিকার,
তবে আজই শুনে রাখো— থামবে না এই হুংকার!
মাটির দেহ মাটি খাবে থাকবে শুধু হাহাকার।