July 29, 2026, 5:39 pm
শিরোনাম:
গঙ্গাচড়ায় গর্তে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি গাইবান্ধায় আড়াই বছর ধরে আটকে রয়েছে ৭টি সেতুর কাজ, ৪টি সেতুর কাজ শুরু হয়নি রামগতিতে পানির লাইন খুঁড়তে মিলল তিনটি মর্টার শেল সদৃশ বস্তু নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩ এর উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সুধী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে “নাগরিক ভাবনাঃ আমাদের করণীয়” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের নবনিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আকরাম এলাহী মাদকবিরোধী অভিযানে কৃতিত্বের স্বীকৃতি, সম্মানিত রাঙ্গামাটি পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন আলমগীর শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক ৩ জাপানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩, চলছে উদ্ধার অভিযান জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ করা হলেও সংযোগ রাস্তা নেই

এস,এম শাহাদৎ হোসাইন, রংপুর

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নে খালের ওপর ১ কোটি ১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি সেতু নির্মাণ করা হলেও সংযোগ রাস্তা না থাকা এলাকাবাসীর কোনো কাজে আসছে না। দুই পাশে সংযোগ সড়ক (অ্যাপ্রোচ রোড) না থাকায় সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের চলাচলেরও কোন উপায় নেই। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা বাঁশের সাঁকো দিয়ে সংযোগ স্থাপন করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেতু দিয়ে চলাচল করছেন। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও রোগীসহ হাজারো মানুষ। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে শ্রীপুর ইউনিয়নের বাড়াইকান্দি গ্রামের খালের ওপর সেতুটি নির্মাণ করেছে রামিম এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও বর্তমানে কাজ বন্ধ রয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, খালের ওপর বিশাল সেতুটি দাঁড়িয়ে থাকলেও তার দুই পাশে রাস্তার কোনো সংযোগ নেই। বর্তমানে বৃষ্টির পানিতে খাল ভরে যাওয়ায় সেতুর পাশ দিয়ে যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে। স্থানীয়রা ব্যক্তি উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো দিয়ে কোনোমতে যাতায়াত করছেন। ফুল মিয়া নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, সেতুর নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকে নানা অনিয়ম হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী বিকল্প যাতায়াতের জন্য বাইপাস সড়ক করার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। ঠিকাদার ও পিআইও কার্যালয়ের যোগসাজশে তড়িঘড়ি করে সেতুর মূল কাজ শেষ করা হলেও সংযোগ রাস্তা নির্মাণ করা নিয়ে কেউ মাথা ঘামাচ্ছে না। ঠিকাদার জিয়ারুল ইসলাম বলেন, ভারী বৃষ্টির কারণে খালের পানি বেড়ে যাওয়ায় মাটি ভরাট করা সম্ভব হয়নি। এলাকায় মাটি পাওয়া যাচ্ছে না, আর দূর থেকে ট্রাকে মাটি নিয়ে আসাও এই বর্ষায় কঠিন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিয়ার রহমান বলেন, বন্যার পানি ও বৃষ্টির কারণে সংযোগ সড়কের কাজ আটকে আছে। মানুষের চলাচলের জন্য দ্রুত একটি বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *