July 29, 2026, 4:55 pm
শিরোনাম:
গঙ্গাচড়ায় গর্তে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি গাইবান্ধায় আড়াই বছর ধরে আটকে রয়েছে ৭টি সেতুর কাজ, ৪টি সেতুর কাজ শুরু হয়নি রামগতিতে পানির লাইন খুঁড়তে মিলল তিনটি মর্টার শেল সদৃশ বস্তু নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩ এর উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সুধী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে “নাগরিক ভাবনাঃ আমাদের করণীয়” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের নবনিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আকরাম এলাহী মাদকবিরোধী অভিযানে কৃতিত্বের স্বীকৃতি, সম্মানিত রাঙ্গামাটি পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন আলমগীর শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক ৩ জাপানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩, চলছে উদ্ধার অভিযান জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

নগরীতে বস্তাবন্দী স্কুল ছাত্রীর লাশ উদ্ধারের পর তদন্তে সত্যতা বেরিয়ে এসেছে , হত্যাকারী আপন পিতা-মাতা

খুলনা প্রতিনিধি:

মহানগরী খুলনায় প্রান্তিক আবাসিক এলাকায় বস্তাবন্দী কিশোরের লাশ শনাক্তের পর পুলিশ জানতে পারে নিহত কিশোরী নির্জনা (১৬) সোনাডাঙ্গা থানার বসু পাড়া এলাকার বাসিন্দার আকাশ ও সীমা আক্তারের কন্যা। সে নগরীর সরকারি ইকবাল নগর মাধ্যমে বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। প্রাথমিক তদন্তে বাবা আকাশ ও মা সীমা আক্তার নিজেরাই তাদের মেয়েকে হত্যা করেছে বলে পুলিশের ধারণা। আজকে এমপির প্রেস ব্রিফিং সবকিছু প্রকাশ্যে চলে আসবে। তবে সীমা আক্তারের জবানবন্দিতে অনেক তথ্যই বেরিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী পুলিশ জানিয়েছে চলতি বছরের একুশে এপ্রিল তেরোখাদা উপজেলার পালেরহাট আজগরা
গ্রামে মোস্তাফিজুর রহমান রনির সঙ্গে নির্জনার বিয়ে হয়। বিয়ের সাতের দিন পর সে বাবার বাড়িতে ফিরে আসে। এরপর রনির সঙ্গে তার আর কোন যোগাযোগ ছিল না। পরবর্তীতে নির্জনা অন্য আরেকটি ছেলের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এসব কারণে পরিবারের সদস্যরা তার উপরে ক্ষিপ্ত হতে থাকে। যার পরবর্তীতে তার বাবা-মা তাকে হত্যা করেছে বলে পুলিশের ধারণা। খুলনা সদর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মোঃ সাত্তার বলেন নিহতের মা সীমা আক্তার কে আটক করে আদালত ১৬৪ ধারা জবানবন্দী নিয়েছে। একই সাথে নিহতের বাবা মোঃ আলিম হোসেন আকাশকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নির্জনাকে অন্য কোথাও হত্যা করে মরাদেহ প্লাস্টিকের বস্তা ভরে প্রান্তিক এলাকায় ফেলে রাখা হয়েছে। সিআইডির ক্রাইম ইউনিট ঘটনা স্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করেছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের পুলিশ সব দিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। তদন্তের শেষ হওয়ার আগে কাউকে দায়ী করা হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ ধারনা করছে নির্জনার মা ও বাবা তাকে হত্যা করেছে।।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *