মহানগরী খুলনায় প্রান্তিক আবাসিক এলাকায় বস্তাবন্দী কিশোরের লাশ শনাক্তের পর পুলিশ জানতে পারে নিহত কিশোরী নির্জনা (১৬) সোনাডাঙ্গা থানার বসু পাড়া এলাকার বাসিন্দার আকাশ ও সীমা আক্তারের কন্যা। সে নগরীর সরকারি ইকবাল নগর মাধ্যমে বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। প্রাথমিক তদন্তে বাবা আকাশ ও মা সীমা আক্তার নিজেরাই তাদের মেয়েকে হত্যা করেছে বলে পুলিশের ধারণা। আজকে এমপির প্রেস ব্রিফিং সবকিছু প্রকাশ্যে চলে আসবে। তবে সীমা আক্তারের জবানবন্দিতে অনেক তথ্যই বেরিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী পুলিশ জানিয়েছে চলতি বছরের একুশে এপ্রিল তেরোখাদা উপজেলার পালেরহাট আজগরা
গ্রামে মোস্তাফিজুর রহমান রনির সঙ্গে নির্জনার বিয়ে হয়। বিয়ের সাতের দিন পর সে বাবার বাড়িতে ফিরে আসে। এরপর রনির সঙ্গে তার আর কোন যোগাযোগ ছিল না। পরবর্তীতে নির্জনা অন্য আরেকটি ছেলের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এসব কারণে পরিবারের সদস্যরা তার উপরে ক্ষিপ্ত হতে থাকে। যার পরবর্তীতে তার বাবা-মা তাকে হত্যা করেছে বলে পুলিশের ধারণা। খুলনা সদর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মোঃ সাত্তার বলেন নিহতের মা সীমা আক্তার কে আটক করে আদালত ১৬৪ ধারা জবানবন্দী নিয়েছে। একই সাথে নিহতের বাবা মোঃ আলিম হোসেন আকাশকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নির্জনাকে অন্য কোথাও হত্যা করে মরাদেহ প্লাস্টিকের বস্তা ভরে প্রান্তিক এলাকায় ফেলে রাখা হয়েছে। সিআইডির ক্রাইম ইউনিট ঘটনা স্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করেছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের পুলিশ সব দিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। তদন্তের শেষ হওয়ার আগে কাউকে দায়ী করা হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ ধারনা করছে নির্জনার মা ও বাবা তাকে হত্যা করেছে।।