June 15, 2026, 4:05 pm
শিরোনাম:
জিয়ানগরে নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে ব্রাকের পাওয়ার টিলার বিতরণ জুলাই শহীদদের কবর নির্মাণ অসম্পূর্ণ, বরাদ্দের টাকা তুলে নিলেন ঠিকাদার ফরিদপুরের সালথায় ইউপি চেয়ারম্যান বাবু মোল্যা গ্রেপ্তার টাঙ্গাইলে ফার্মেসিতে মোবাইল কোর্ট: ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ওয়ার্ল্ড ভিশনের বার্ষিক কমিউনিটি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান জিয়ানগরে ডুবন্ত জাহাজ থেকে যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার সাবেক ছাত্রনেতা মাকছুদুর রহমান জালানি তেল বৃদ্ধির প্রভাব পরেছে নরসিংদীর পাইকারী সবজির বাজারগুলোতে পাইকগাছায় পাউবো কর্মকর্তার নির্দেশে কলোনির লেকের মাছ লুট

পাইকগাছায় পাউবো কর্মকর্তার নির্দেশে কলোনির লেকের মাছ লুট

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার পাইকগাছায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) আওতাধীন একটি সরকারি কলোনির লেক থেকে বিপুল পরিমাণ মাছ আহরণ ও বিক্রির ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে কোনো সরকারি অনুমোদন বা অবগতিমূলক নোটিশ প্রকাশ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুন সকালে পাইকগাছা পাউবো কলোনি সংলগ্ন লেকে প্রায় ৩০০ হাত দীর্ঘ কাঁটি জাল ফেলে মাছ ধরা হয়। কয়েক ঘণ্টার অভিযানে রুই, কাতলা, তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আহরণ করা হয়। পরে মাছগুলো স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, পাউবোর ১৬ নম্বর পোল্ডারের শাখা কর্মকর্তা (এসও) মোতালেব হোসেনের নির্দেশনায় মাছ ধরার কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মোতালেব হোসেন বলেন, “ওই লেকে সরকারি অর্থে মাছ চাষ করা হয়নি। আমাদের আগের কয়েকজন সহকর্মী ব্যক্তিগতভাবে টাকা দিয়ে মাছ ছেড়েছিলেন। পরে সেই মাছ ধরা হয়েছে। এটি সরকারি রাজস্বের মাছ নয়, তাই রাজস্ব খাতে অর্থ জমা দেওয়া হয়নি।”
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জহির মাজহার পরে কথা বলবেন বলে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিজস্ব প্রশাসনিক আওতাধীন। তাদের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে সহযোগিতা চাওয়া হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করা হোক। সরকারি সম্পদের ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন।