June 14, 2026, 2:41 pm
শিরোনাম:
বাংলাদেশের ঐতিহাসিক কূটনৈতিক সাফল্যে অভিনন্দন দেশবন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ সিরাজগঞ্জে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন এমপি আমির হামজা! গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ফেসবুকে অপপ্রচারের ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি প্রদান বহিরাগত প্রো-ভিসি নিয়োগ প্রত্যাখ্যান: গাকৃবিতে শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন, প্রশাসনিক ভবন অবরুদ্ধ শরীয়তপুরের চন্দ্রপুরের কীর্ত্তীনগর যুব সমাজ কল্যাণ সংগঠন অসহায় প্রতিবন্ধী কুলসুমকে ঘর উপহার দিল: আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কুলসুমের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ টাঙ্গাইলে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মায়ের মরদেহ আটক করে ছেলেকে কান ধরে উঠবস ‘কালো মানিক’ উপহার দিয়ে আলোচনায় আসা সেই সোহাগ মৃধা গ্রেপ্তার

মায়ের মরদেহ আটক করে ছেলেকে কান ধরে উঠবস

এস, এম শাহাদৎ হোসাইন রংপুর

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে বিনা চিকিৎসায় মায়ের মৃত্যুর অভিযোগে কর্তব্যরত ৩ চিকিৎসকের ওপর হামলা করে আহত করার ঘটনায় লাশ দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা ডেড হাউজে আটকে রেখে বিক্ষোভ করেন চিকিৎসকরা। পরে অভিযুক্ত ছেলে রিফাতকে বাসা থেকে ডেকে এনে মায়ের মরদেহ ফেরৎ দেওয়ার আগে শর্ত অনুযায়ী রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ের একটি কক্ষে কান ধরে প্রকাশ্য উঠবস করানো হয়। কান ধরে ঊঠবস করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় রংপুর জুড়ে তোলপাড় হয়। মরদেহ আটকের মাধ্যমে জিম্মি করে কান ধরে উঠবস করার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। গত ১৩ জুন শনিবার ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে চিকিৎসাধিন রংপুর নগরীর নিউ জুম্মাপাড়ার নুরজাহান বেগম নামে এক বৃদ্ধা চিকিৎসকদের অবহেলায় মৃত্যুবরণ করেন বলে অভিযোগ স্বজনদের। মা নুরজাহান বেগমের মৃত্যুর পর রিফাত ক্ষুব্ধ হয়ে কর্তব্যরত ২ চিকিৎসকের ওপর চড়াও হন। তাদের মারধর করেন বলে অভিযোগ চিকিৎসকদের। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে সকাল থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত জরুরি বিভাগ বন্ধ করে দিয়ে হাসপাতালে ধর্মঘট পালন করেন চিকিৎসকরা। তারা ডেড হাউজের সামনে অবস্থান নিয়ে নুরজাহান বেগমের মরদেহ আটকে রাখেন। চিকিৎসকদের দাবি অভিযুক্ত রিফাতকে হাসপাতালে এসে ক্ষমা চাইতে হবে, তা হলেই মরদেহ মিলবে। পরে ১১ ঘণ্টা পর বিকেল ৪ টার দিকে রিফাত হাসপাতালে এলে তাকে একটি কক্ষে নিয়ে কান ধরে ১০ বার উঠবস করানো হয়। এ ব্যাপারে কোনো চিকিৎসক কিংবা হাসপাতালের কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি।