June 12, 2026, 4:30 pm
শিরোনাম:
ঘোড়া জবাই ও মাংস পাচারের অভিযোগে ৬জন আটক, সাদুল্লাপুরে উত্তেজনা “শাহজাদপুরে স্টার্টআপ,সায়েন্স প্রজেক্ট এবং ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত” প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের তিন মাসের মধ্যেই নদীভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছেন: হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন অপু রংপুরে থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করায় ঘটনায় ১১ পুলিশ সদস্য সাময়িক বরখাস্ত দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত হৃদয়ের পরিবারের পাশে আলহাজ্ব শাহনেওয়াজ কাজল টিসিবির মালামালে সাথে স্কয়ারের পণ্য বাজার দরে বিক্রির অভিযোগ গলাচিপায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত খুলনায় রাইট টক বাংলাদেশের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে বিপুল ভারতীয় সিগারেট জব্দ, চোরাকারবারি গ্রেপ্তার খুলনা মেডিকেলে চিকিৎসা অবহেলা ও অব্যবস্থাপনায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ: ক্ষুব্ধ স্বজনরা

ঘোড়া জবাই ও মাংস পাচারের অভিযোগে ৬জন আটক, সাদুল্লাপুরে উত্তেজনা

‎মোঃ মাহমুদুল হাবিব রিপন, গাইবান্ধা

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মোংলা বন্দর এলাকায় ঘোড়া জবাই করে মাংস পাচারের চেষ্টার অভিযোগে ৭ জনকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোংলা বন্দরের খাইরুলের একটি চাতালে আনিসুর ডাক্তার নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে কয়েকটি ঘোড়া জবাই করে মাংস পাচারের প্রস্তুতি চলছিল বলে অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে স্থানীয় জনতা ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে রাখে এবং প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করে।
‎সংবাদ পেয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ঘটনাটির সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম শুরু করেন।
‎সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯, নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এবং প্রাণী জবাই ও খাদ্য নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রযোজ্য অন্যান্য আইনের আওতায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। প্রতারণামূলকভাবে মাংস বিক্রি বা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্য সরবরাহের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।
‎এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনাটির তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অব্যাহত থাকবে বলেও তারা জানান।
‎সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিলেন এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছিল।
‎উল্লেখ্য, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত বলে গণ্য করা যাবে না। তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।