July 29, 2026, 4:26 pm
শিরোনাম:
গঙ্গাচড়ায় গর্তে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি গাইবান্ধায় আড়াই বছর ধরে আটকে রয়েছে ৭টি সেতুর কাজ, ৪টি সেতুর কাজ শুরু হয়নি রামগতিতে পানির লাইন খুঁড়তে মিলল তিনটি মর্টার শেল সদৃশ বস্তু নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩ এর উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সুধী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে “নাগরিক ভাবনাঃ আমাদের করণীয়” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের নবনিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আকরাম এলাহী মাদকবিরোধী অভিযানে কৃতিত্বের স্বীকৃতি, সম্মানিত রাঙ্গামাটি পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন আলমগীর শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক ৩ জাপানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩, চলছে উদ্ধার অভিযান জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

একসঙ্গে জন্মানো ৩ সন্তানের খাবার জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন বাবা

মো. মিজানুর রহমান, পটুয়াখালী

পটুয়াখালীর গলাচিপায় মো. রাসেল মোল্লা ও তার স্ত্রী মোসা. শারমীনের পরিবারে এক বিরল আনন্দের ঘটনা ঘটেছে। গত ২ মার্চ তাদের ঘর আলো করে একসঙ্গে জন্ম নেয় ৩টি নবজাতক সন্তান। নবজাতকদের নাম রাখা হয়েছে হাসান, হোসেন ও মিম।
তবে আনন্দের এই মুহূর্তের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কঠিন বাস্তবতার লড়াই। সীমিত আয়ের এই পরিবারটি বর্তমানে তিন নবজাতকের খাদ্য, চিকিৎসা ও দৈনন্দিন পরিচর্যার ব্যয় বহন করতে গিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, এর আগে রাসেল-শারমীন দম্পতির রাইসা মনি নামে পাঁচ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তিন নবজাতকের জন্মের পর পরিবারে মোট সন্তানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারজনে— দুই ছেলে ও দুই মেয়ে।
মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে মুহম্মদ ইউসুফ মিয়া-জাহানারা স্মৃতি কমপ্লেক্সের প্রজেক্ট ইনচার্জ মুহম্মদ আতিকুর রহমান শাহীন নবজাতকদের এক মাসের প্রয়োজনীয় খরচ বহন করেছেন।
আতিকুর রহমান শাহিন জানান, “শিশুদের বাবা মো. রাসেল মোল্লা একজন অটোচালক। প্রতিদিনের আয়ের ওপর নির্ভর করেই চলে তার সংসার। কিন্তু একসঙ্গে তিন শিশুর জন্মের পর ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। আমি গত একমাসের প্রয়োজনীয় শিশুখাদ্য ক্রয় করার খরচ বহন করেছি।”
রাসেল মোল্লা বলেন, আমি অটো রিক্সা চালিয়ে যা আয় করি, তা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। কিন্তু এই তিনটি বাচ্চার খরচ চালানো আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ থাকে না বললেই চলে। ফলে প্রতিদিন অটো চার্জ দিতে পারি না। যে দিন অটো চালাতে পারি না, সে দিন কোনো আয়ও হয় না। এখন শিশুদের দুধ ও চিকিৎসার খরচ বহন করা আমার জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
তিনি জানান, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নবজাতকদের জন্য প্রতিদিন ল্যাকটোজেন-১ দুধ প্রয়োজন হয়। একটি দুধের মূল্য প্রায় ৮৫০ টাকা। ফলে মাসে শুধু দুধের পেছনেই প্রায় ৩০ হাজার টাকার বেশি ব্যয় হচ্ছে, যা তার মতো একজন নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে বহন করা প্রায় অসম্ভব।

এদিকে শিশু ৩টির সুস্থ বৃদ্ধি ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পরিবারটি সমাজের বিত্তবান, মানবিক ব্যক্তি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতা কামনা করেছে।
সরাসরি যোগাযোগ ও সহায়তা:📞 ০১৩১০-০৭৪৬৫৫ (বিকাশ/নগদ)।
স্থানীয়রা জানান, অসহায় এই পরিবারটির পাশে সমাজের সামর্থ্যবান মানুষ এগিয়ে এলে তিনটি নবজাতকের জীবনযাত্রা সহজ হবে এবং পরিবারটি নতুন করে আশার আলো দেখতে পাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *