July 29, 2026, 4:25 pm
শিরোনাম:
গঙ্গাচড়ায় গর্তে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি গাইবান্ধায় আড়াই বছর ধরে আটকে রয়েছে ৭টি সেতুর কাজ, ৪টি সেতুর কাজ শুরু হয়নি রামগতিতে পানির লাইন খুঁড়তে মিলল তিনটি মর্টার শেল সদৃশ বস্তু নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩ এর উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সুধী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে “নাগরিক ভাবনাঃ আমাদের করণীয়” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের নবনিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আকরাম এলাহী মাদকবিরোধী অভিযানে কৃতিত্বের স্বীকৃতি, সম্মানিত রাঙ্গামাটি পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন আলমগীর শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক ৩ জাপানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩, চলছে উদ্ধার অভিযান জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

গাইবান্ধার চরাঞ্চলে বারি তিল-৪ ও বারি তিল-৬ চাষে সাফল্য

এস, এম শাহাদৎ হোসাইন, রংপুর

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার যমুনা নদীর বুকে জেগে উঠা ধূ-ধূ বালুচরে এখন সবুজের সমারোহ। শুষ্ক মৌসুমে যে চরে একসময় শুধু বালুর রাজত্ব ছিল, সেখানে এখন বাতাসে দুলছে ‘বারি তিল-৪ ও বারি তিল-৬’ উন্নত জাতের সবুজ গাছ। চরাঞ্চরের কৃষকগণ ভুট্টা ঘরে তোলার পর সেই জমিতে চাষ করা তিলের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) সরেজমিন গবেষণা বিভাগের সহায়তায় উন্নত জাতের ‘বারি তিল-৬’ জাতের তিল চাষ করে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন চরাঞ্চলের কৃষকেরা। সরেজমিনে দেখা যায়, চলতি খরিপ-১ মৌসুমে সাঘাটা উপজেলার কুমারপাড়া, কালুরপাড়া, কানাইপাড়া, বেড়া, বুগারপটল ও হাটবাড়ি চরের জমিতে বারি তিল-৪ ও বারি তিল-৬ জাতের তিল চাষ করা হয়েছে। এর আগে ভুট্টা তোলার পর ওই জমিগুলোতে পতিত পড়ে থাকত। চলতি বছর ‘পার্টনার প্রোপ্রাম-বারি অঙ্গ’ এর আওতায় কৃষকদের উদ্বুদ্ধ ও সহায়তা করার মাধ্যমে প্রায় ৬০০ বিঘা জমিতে তিলের পরীক্ষামূলক চাষ সফল হয়েছে। চরের বুকে তিলের ফলনে আনন্দিত চাষিরা। চরের কৃষকেরা বলেন, আগে ভুট্টা তোলার পর বালুচরে কীভাবে তিল চাষ করতে হয়, তা তাদের জানা ছিল না। ফলে জমিগুলো পড়ে থাকত। এবার কৃষি গবেষণা বিভাগ থেকে উন্নত জাতের বীজ ও সঠিক পরামর্শ পাওয়ায় তারা তিল চাষে আগ্রহী হয়েছে। ফলন আশাতীত ভালো হয়েছে। সরেজমিন গবেষণা বিভাগের মাঠকর্মীরা বলেন, গাইবান্ধা বিএআরআইয়ের তত্ত্বাবধানে ৬০০ বিঘা জমিতে বারি তিল-৪ ও বারি তিল-৬ চাষের প্রকল্প সফল হয়েছে। কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পাওয়ায় আগামী মৌসুমে তিল চাষের পরিধি দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সরেজমিন গবেষণা বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চরাঞ্চলের পতিত জমিতে উন্নত জাতের তিল বারি তিল-৪ ও বারি তিল-৬ চাষে সার, সেচ ও কীটনাশক খুবই কম লাগে। খরচ নামমাত্র হলেও সাধারণ তিলের তুলনায় ফলন প্রায় দ্বিগুণ। কম খরচে অধিক লাভজনক হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে। পরিবেশ ও মাটির অনুকূল অবস্থাকে কাজে লাগিয়ে তিল চাষের সাফল্য চরাঞ্চলের অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *