July 29, 2026, 4:23 pm
শিরোনাম:
গঙ্গাচড়ায় গর্তে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি গাইবান্ধায় আড়াই বছর ধরে আটকে রয়েছে ৭টি সেতুর কাজ, ৪টি সেতুর কাজ শুরু হয়নি রামগতিতে পানির লাইন খুঁড়তে মিলল তিনটি মর্টার শেল সদৃশ বস্তু নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩ এর উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সুধী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে “নাগরিক ভাবনাঃ আমাদের করণীয়” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের নবনিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আকরাম এলাহী মাদকবিরোধী অভিযানে কৃতিত্বের স্বীকৃতি, সম্মানিত রাঙ্গামাটি পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন আলমগীর শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক ৩ জাপানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩, চলছে উদ্ধার অভিযান জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

গাইবান্ধায় মাদকাসক্ত ভাতিজার হাতে ফুফু নিহত ‎মা ও চাচি গুরুতর আহত

‎ মোঃ মাহমুদুল হাবিব রিপন,গাইবান্ধা

‎গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাজেতেলকুপি চর নিশ্চিন্তপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার সকালে মাদকাসক্ত ভাতিজার হাতে সোহেল মিয়ার (৩০) দেশীয় অস্ত্রের (বটি) আঘাতে আপন ফুফু জহুরা বেগম (৬০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এসময় সোহেলের মা আনোয়ারা বেগম ও চাচি জুলেখা বেগমকে আঘাত করলে তারাও গুরুতর আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের দুজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত জহুরা বেগম ওই এলাকার মৃত কাবিল শেখের মেয়ে এবং অভিযুক্ত মাদকাসক্ত সোহেল ওই গ্রামের মৃত সামু মিয়ার ছেলে।
‎স্থানীয় সূত্র জানায়, জোহরার স্বামীর মৃত্যুর পর দীর্ঘদিন ধরে তিনি বাবার বাড়িতেই বসবাস করেন। সকালে ঘুম থেকে ওঠেই বঁটি দিয়ে সোহেল মিয়া হঠাৎ করে প্রথমে তার মা আনোয়ারাকে আঘাত করেন। এ সময় তার মা চিৎকার করে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে চাচি জুলেখাকে পেয়ে তার শরীরে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। পরে ফুফু জহুরা বেগম এগিয়ে আসলে স্বজোরে তার পেটে আঘাত করে এবং বটি দিয়ে কোপ মেরে এক হাত কেটে ফেলেন। ফলে ঘটনাস্থলেই জহুরা বেগমের মৃত্যু হয়। ঘটনায় গুরুতর আহত আনোয়ারা ও জুলেখা বেগমকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতলে নিয়ে যায়। তাদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। পরে স্থানীয়রা বিক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত সোহেলকে আটকে রেখে ফুলছড়ি থানা পুলিশকে খবর দিলে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
‎মাদকাসক্ত সোহেলের বড় ভাই ফুল মিয়া জানান, কয়েকদিন ধরে সোহেল পাগলামো করে আসছিল। বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম থেকে ওঠেই বঁটি দিয়ে ফুফুকে খুন করে। প্রথমে মায়ের মাথায় কোপ দেয়। পরে চাচিকে পেয়ে তাকে এলোপাতাড়িভাবে কোপ দিয়ে নাক-মুখ, হাঁটুসহ সারা শরীর রক্তাক্ত করে। পরে ফুফুকে পেয়ে তার একটি হাত প্রায় কেটে ফেলে এবং পেটেও কোপ দেয়। এসময় ফুফু ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
‎ফুলছড়ি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা বলেন, স্থানীয়রা জানিয়েছেন অভিযুক্ত যুবক নেশা করে। স্থানীয়দের খবরে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত সোহেলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *