প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। আজ ২০ মে বুধবার সকালে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। যে বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা বেশি হবে ও সুযোগ-সুবিধা বাড়বে এবং যা দেশের ও জনগণের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, সেসব বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে। তিনি বলেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক করার বিষয়টি তারেক রহমানের বিবেচনায় রয়েছে। আপনারা ধৈর্য ধরেন, ধাপে ধাপে সব প্রতিশ্রুুতি বাস্তবায়ন করা হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহিন আকতার সাহিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেন পাপ্পু, যুবদলের আহ্বায়ক তারেক আজিজিসহ নীলফামারী জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাগণ। পরে তিনি সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশে রওয়ানা দেন।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে ঈদের পর বৃহত্তর আন্দোলন
রংপুর ব্যুরো: তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে পবিত্র ঈদুল আযহার পর বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে ‘তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ’। আজ ২০ মে বুধবার সকালে নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারের মিলনায়তনে তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে তিস্তাপাড়ের মানুষের গণজাগরণ প্রমাণ করেছিল এটি উত্তরাঞ্চলের মানুষের অস্তিত্বের লড়াই। তবে প্রতিশ্রুতি থাকলেও এখনো বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও দাবি করে বলেন, সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য আসায় জনগণের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ৬ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, একনেকে প্রকল্প অনুমোদন, রোডম্যাপ ঘোষণা, জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ, স্বশাসিত কর্তৃপক্ষ গঠন, নদীভিত্তিক শিল্প ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নদী খনন ও সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণসহ বিভিন্ন প্রস্তাব। এছাড়া তিস্তা নদীর অববাহিকায় কৃষিভিত্তিক শিল্পাঞ্চল, হিমাগার, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলারও দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমান, সদস্য মোহাম্মদ আলী, বখতিয়ার হোসেন শিশির প্রমুখ।