শরীয়তপুর জেলার রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সততা, ত্যাগ ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিত, শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ সফিকুর রহমান কিরণ। তিনি বর্তমানে শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে তিনি ইতোমধ্যেই নড়িয়া ও সখিপুর অঞ্চল সহ শরীয়তপুরে গণমানুষের নেতা হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। তাকে ঘিরে তৃণমূলে ব্যাপক প্রত্যাশা। তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দাবি, আলহাজ্ব মোঃ সফিকুর রহমান কিরণ-কে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, বিশেষ করে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলে শরীয়তপুর-২ আসন (নড়িয়া ও সখিপুর) তথা শরীয়তপুরের উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে। তাদের বিশ্বাস, তাঁর দক্ষ নেতৃত্ব, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও জনবান্ধব রাজনীতি এই অঞ্চলের অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে আলহাজ্ব মোঃ সফিকুর রহমান কিরণ ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয় জনগণের মাঝে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। দুর্যোগকালীন সময়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায়দের সহায়তা প্রদান এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত রাখার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা প্রশংসিত।
নড়িয়া ও সখিপুর এলাকার সাধারণ মানুষ বলছেন, “আমরা এমন একজন নেতৃত্ব চাই, যিনি এলাকার উন্নয়নের জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করবেন এবং জনগণের কথা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরবেন। সফিকুর রহমান কিরণ সেই যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।”
তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দলের দুঃসময়ে মাঠে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন আলহাজ্ব মোঃ সফিকুর রহমান কিরণ। রাজনৈতিক নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখে দলকে সুসংগঠিত করেছেন। ফলে শরীয়তপুর জেলায় বিএনপির রাজনীতিতে তিনি এখন অন্যতম আস্থার নাম।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে আরও বড় পরিসরে দায়িত্ব পেলে আলহাজ্ব মোঃ সফিকুর রহমান কিরণ নড়িয়া-সখিপুরকে একটি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন। তাই তাঁকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান স্থানীয় জনগণ ও বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মী এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।