May 10, 2026, 8:28 am
শিরোনাম:
যেসব দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে, হরমুজে তারাই বাধার সম্মুখীন হবে: ইরান দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যরা সাহসিকতা ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত : প্রধানমন্ত্রী শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু পার্কে বসে মাদকের হাট, মাঠে সারি দোকানপাট পাইকগাছায় পেশাগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের মানববন্ধন মসজিদের ক্ষতিপূরণের টাকায় দ্বন্দ্ব, একই সমাজে নির্মাণ হচ্ছে দুই মসজিদ গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ নিয়ে শিক্ষক সমিতির বিবৃতি সাপের লেজে পা দিয়ে ছেড়ে দেবেন না- আহমেদ আবু জাফর হরিণ বিক্রির ঘোষণা, কেনা যাবে ৫০ হাজার টাকায় কুলাউড়া সীমান্ত দিয়ে পুশইন করা ১০ বাংলাদেশিকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর

শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু

নিউজ পাওয়ার ২৪ ডেস্ক:

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই দ্রুত সিদ্ধান্তে ঝড় তুললেন সি জোসেফ বিজয়। দায়িত্ব গ্রহণের দিনেই জনকল্যাণ ও নিরাপত্তা ঘিরে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইলে সই করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।

রবিবার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিজয়ের প্রথম নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে, রাজ্যের সাধারণ মানুষের জন্য ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিনামূল্যে বা সাশ্রয়ী মূল্যে প্রদান। পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্তও নিয়েছেন তিনি।

শপথ গ্রহণ শেষে বিশাল জনসমাগমের সামনে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগঘন ভাষণ দেন বিজয়। নিজের পরিচিত সেই তামিল সম্বোধন এন নেঞ্জিল কুদিয়িরুক্কুম দিয়ে বক্তব্য শুরু করেন তিনি, যা তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভক্তদের উদ্দেশে ব্যবহার করে আসছেন। রাজনৈতিক মঞ্চেও একইভাবে মানুষের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করার চেষ্টা করেন তিনি।

এর আগে, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে দীর্ঘ প্রায় ছয় দশকের ধারাবাহিকতা ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েন এই অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হয়ে ওঠা নেতা। চেন্নাইয়ে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এর মাধ্যমে ডিএমকে ও এআইএডিএমকের বাইরে অন্য একটি দলের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।

গত মাসে অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের দল ১০৮টি আসনে জয় পায়। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ১১৮ আসনের সমর্থন নিশ্চিত করতে কয়েকদিন ধরে টানা রাজনৈতিক আলোচনা চলে। রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে একাধিক বৈঠক এবং মিত্রদের সঙ্গে আলোচনার পর শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করেন তিনি।

শপথগ্রহণকে ঘিরে চেন্নাই জুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেছে। সমর্থকদের কাছে এই জয় নতুন সূচনার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর এখন নতুন মন্ত্রিসভা ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন বিজয়। রাজ্যপালের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তাকে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে।