July 29, 2026, 4:26 pm
শিরোনাম:
গঙ্গাচড়ায় গর্তে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি গাইবান্ধায় আড়াই বছর ধরে আটকে রয়েছে ৭টি সেতুর কাজ, ৪টি সেতুর কাজ শুরু হয়নি রামগতিতে পানির লাইন খুঁড়তে মিলল তিনটি মর্টার শেল সদৃশ বস্তু নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩ এর উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সুধী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে “নাগরিক ভাবনাঃ আমাদের করণীয়” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের নবনিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আকরাম এলাহী মাদকবিরোধী অভিযানে কৃতিত্বের স্বীকৃতি, সম্মানিত রাঙ্গামাটি পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন আলমগীর শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক ৩ জাপানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩, চলছে উদ্ধার অভিযান জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

মহেশপুরে সরকারি সার কালোবাজারে বিক্রি জনতার হাতে আটক সাব-ডিলার

রবিউল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার:

ঝিনাইদহের মহেশপুরে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে এক সাব-ডিলারের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের গোপালপুর গ্রামের সাব-ডিলার শ্রী হারান দাস কর্তৃক পাচারের সময় ১৫ বস্তা সরকারি সার সহ আটক করেন স্থানীয় জনগণ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , মহেশপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের অনুমোদিত সাব-ডিলার শ্রী হারান দাস দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ কৃষকদের সার নেই বলে ফিরিয়ে দিচ্ছিলেন।

অথচ বৃহস্পতিবার একটি ভ্যানে করে সার পাচারের সময় গাড়াবাড়ীয়া গ্রামের ভেতরে ভ্যানের এক্সেল ভেঙে গেলে বিপত্তি ঘটে। এসময় স্থানীয়দের মনে সন্দেহ জাগে এবং ভ্যানটি তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিতে ৮ বস্তা সরকারি ‘বাংলা টিএসপি’ এবং ৭ বস্তা ‘ইউরিয়া’ সার পাওয়া যায়। কৃষকদের অভিযোগ, শ্রী হারান দাস অধিক মুনাফার লোভে চঞ্চল নামক এক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন অসাধু চক্রের কাছে এই সার পাচার করছিলেন। তার গুদামে মজুত থাকা টিএসপি সারও নির্ধারিত মূল্যের দ্বিগুণ দামে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাব-ডিলার শ্রী হারান দাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি পাচারের বিষয়টি স্বীকার করে দম্ভোক্তি করে বলেন,বাইরে বিক্রি করলে দোষ কিসের? আমি উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সাথে কথা বলেই এগুলো বিক্রি করতে যাচ্ছিলাম।

তবে উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন,আমি এ ধরনের কোনো অনুমতি দিইনি। সাব-ডিলার হারান দাসের সার ধরা পড়ার বিষয়টি আমি শুনেছি। সরকারি সার কালোবাজারে বিক্রির সুযোগ নেই।”

স্থানীয় কৃষকরা জানান, চাষের ভরা মৌসুমে সারের জন্য ডিলারের কাছে গেলে সার নেই বলে ফিরিয়ে দেন। অথচ ডিলাররা সিন্ডিকেট করে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অধিক দামে বাইরে সার পাচার করছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সারসহ ধরা পড়ার পর সাব-ডিলার শ্রী হারান দাস স্থানীয় মানুষের হাতে-পায়ে ধরে ক্ষমা চেয়ে কৌশলে আটককৃত সারগুলো পুনরায় খালিশপুরের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেন। এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্ত ডিলারের লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনগত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *