বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ হামের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। ২৩ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তথ্য প্রকাশ করেছে। তথ্য মতে ১৫ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ১৯১৬১ সন্দেহভাজন কাম রোগীর তথ্য পাওয়া গেছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ২৮৯৭ জন হাম রোগী পাওয়া গেছে। এপর্যন্ত হাম উপসর্গ নিয়ে একশত ৬৬ জন। সংস্থাটি আরো জানিয়েছে দেশে ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় অর্থাৎ ৯১% জেলায় হাম রুগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। দেশে ব্যাপ হারে হাম রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। হাম রোগীদের মধ্যে অধিকাংশ শিশু। এদের মধ্যে দুই বছরের কম বয়সী শিশুর সংখ্যা শতকরা ৬৬ শতাংশ এবং নয় মাসের কম বয়সী শিশুর সংখ্যা ৩৩ শতাংশ। যেসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে তার অধিকাংশ টিকা না পাওয়ার প্রধান কারণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে আরো জানিয়েছে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের জেলা গুলোতে ব্যাপক আরো ছড়িয়ে পড়ছে হাম রোগ। ২০২৪ -২৫ সালে দেশে এমআর টিকার জাতীয় পর্যায়ে ঘাটতির কারণে হাম রোগের পরিধিবৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।