August 22, 2026, 12:54 am
শিরোনাম:
ময়মনসিংহে প্রতারণার অভিযোগে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি নাসির উদ্দিন আটক রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল লালমনিরহাট জেলায় চলছে একের পর এক ধর্ষণ প্রতিবেশী দাদা ভাই গ্রেফতার দেশে ফিরলেন সৌদিতে কোরআন প্রতিযোগীতায় জয়ী ৪ হাফেজ ইয়েমেন ও সোমালিয়া উপকূলে ২২ ভারতীয়সহ দুটি জাহাজ ছিনতাই  বঙ্গভবনে শপথ নিতে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ভালুকায় বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর, থানায় অভিযোগ পটিয়ায় আঞ্জুমানে আশেকানে গাউসুল আজম সুলতানপুরীর জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠিত শিবচরে শাম্পা হত্যা ও শিশু আবির নিখোঁজের রহস্য উদঘাটন: ঘাতক ফারুক গ্রেফতার, উদ্ধার হত্যাকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ আলামত বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৮ পরিবারের মাঝে চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকার ঢেউটিন বিতরণ

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ২০

কলম্বিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও অনেকে। স্থানীয় কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য পরাঘাত নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময় ১২টা ৩৪ মিনিট ও বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩৪ মিনিট) ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে বলে জানিয়েছে কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৯৬ কিলোমিটার গভীরে। কলম্বিয়ার চোকো প্রদেশের গভর্নর নুবিয়া ক্যারোলিনা কর্দোবা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে আহতের সঠিক সংখ্যা তিনি জানাননি। ভূমিকম্পের পর আরও শক্তিশালী পরাঘাত হতে পারে বলেও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিশ্বজুড়ে ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণকারী মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র ছিল সান হোসে দেল পালমার গ্রামের প্রায় ৫ কিলোমিটার পূর্বে। ইউএসজিএসের হিসাবে ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ১১০ কিলোমিটার। গভীর ভূমিকম্প হওয়া সত্ত্বেও এর কম্পন কয়েকশ কিলোমিটার দূরের রাজধানী বোগোতাতেও অনুভূত হয়েছে। কম্পনের পর বোগোতার বেশ কয়েকটি ভবন থেকে লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। রাজধানীর কারাকোল রেডিওর সাংবাদিকেরা সরাসরি সম্প্রচারের সময় তাদের স্টুডিওর আসবাবপত্র কাঁপতে দেখেছেন বলে জানান। এতে ভূমিকম্পের শক্তি রাজধানীতেও স্পষ্টভাবে অনুভূত হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। মানিজালেসে ভবন ধস, গির্জার চূড়া ভেঙে পড়েছে ভূমিকম্পে দেশটির কফি উৎপাদন অঞ্চল হিসেবে পরিচিত মানিজালেস শহরেও উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কলম্বিয়ার সংবাদপত্র এল তিয়েম্পো মানিজালেস থেকে ধারণ করা একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এতে একটি ভবন ধসে পড়তে দেখা যায়। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে থাকতে পারেন- এমন আশঙ্কায় ঘটনাস্থলে থাকা লোকজনকে চিৎকার করে সতর্ক করতেও দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ভিডিওতে মানিজালেসের একটি গির্জার চূড়া ভেঙে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। শহরটির একটি ভবনের সম্মুখভাগেও গভীর ফাটল দেখা দিয়েছে। ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা যাচাইয়ে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে। আঞ্চলিক বিমানবন্দরেও ক্ষয়ক্ষতি ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছে কলম্বিয়ার বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক বিমানবন্দরেও। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পেরেইরা, মানিজালেস, কিবদো, আরমেনিয়া, কার্তাগো ও বুয়েনাভেনতুরাসহ কয়েকটি বিমানবন্দরে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তবে এসব ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা এবং বিমান চলাচলে কতটা বিঘ্ন ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি। কলম্বিয়ায় নতুন এই শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন প্রতিবেশী ভেনেজুয়েলা দুই দফা ভয়াবহ ভূমিকম্পের ক্ষত এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি। মাত্র দুই মাসেরও কম সময় আগে ভেনেজুয়েলার উত্তরাঞ্চলে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ওই দুই ভূমিকম্পে ৬ হাজার ১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে কলম্বিয়ার নতুন ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য পরাঘাত এবং আরও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল গভীরে হওয়ায় এর প্রভাব দেশটির বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অনুভূত হয়েছে। উপকূলীয় এলাকা থেকে শুরু করে রাজধানী বোগোতা এবং কফি অঞ্চলের বিভিন্ন শহর পর্যন্ত কম্পন অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে আহতের খবর পাওয়া গেলেও হতাহতের পূর্ণ সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। একইভাবে ভবন, সড়ক, যোগাযোগ অবকাঠামো ও অন্যান্য স্থাপনায় মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য পরাঘাতের বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকারী ও জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে তৎপরতা শুরু করেছে। ধ্বংসস্তূপে কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা খুঁজে দেখতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো নিরাপদ কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি

কলম্বিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও অনেকে। স্থানীয় কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য পরাঘাত নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময় ১২টা ৩৪ মিনিট ও বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩৪ মিনিট) ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে বলে জানিয়েছে কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৯৬ কিলোমিটার গভীরে।

কলম্বিয়ার চোকো প্রদেশের গভর্নর নুবিয়া ক্যারোলিনা কর্দোবা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে আহতের সঠিক সংখ্যা তিনি জানাননি। ভূমিকম্পের পর আরও শক্তিশালী পরাঘাত হতে পারে বলেও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিশ্বজুড়ে ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণকারী মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র ছিল সান হোসে দেল পালমার গ্রামের প্রায় ৫ কিলোমিটার পূর্বে।

ইউএসজিএসের হিসাবে ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ১১০ কিলোমিটার। গভীর ভূমিকম্প হওয়া সত্ত্বেও এর কম্পন কয়েকশ কিলোমিটার দূরের রাজধানী বোগোতাতেও অনুভূত হয়েছে।

কম্পনের পর বোগোতার বেশ কয়েকটি ভবন থেকে লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

রাজধানীর কারাকোল রেডিওর সাংবাদিকেরা সরাসরি সম্প্রচারের সময় তাদের স্টুডিওর আসবাবপত্র কাঁপতে দেখেছেন বলে জানান। এতে ভূমিকম্পের শক্তি রাজধানীতেও স্পষ্টভাবে অনুভূত হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে।

মানিজালেসে ভবন ধস, গির্জার চূড়া ভেঙে পড়েছে
ভূমিকম্পে দেশটির কফি উৎপাদন অঞ্চল হিসেবে পরিচিত মানিজালেস শহরেও উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কলম্বিয়ার সংবাদপত্র এল তিয়েম্পো মানিজালেস থেকে ধারণ করা একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এতে একটি ভবন ধসে পড়তে দেখা যায়। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে থাকতে পারেন- এমন আশঙ্কায় ঘটনাস্থলে থাকা লোকজনকে চিৎকার করে সতর্ক করতেও দেখা যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ভিডিওতে মানিজালেসের একটি গির্জার চূড়া ভেঙে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

শহরটির একটি ভবনের সম্মুখভাগেও গভীর ফাটল দেখা দিয়েছে। ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা যাচাইয়ে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে।

আঞ্চলিক বিমানবন্দরেও ক্ষয়ক্ষতি
ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছে কলম্বিয়ার বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক বিমানবন্দরেও।

দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পেরেইরা, মানিজালেস, কিবদো, আরমেনিয়া, কার্তাগো ও বুয়েনাভেনতুরাসহ কয়েকটি বিমানবন্দরে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

তবে এসব ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা এবং বিমান চলাচলে কতটা বিঘ্ন ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি।

কলম্বিয়ায় নতুন এই শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন প্রতিবেশী ভেনেজুয়েলা দুই দফা ভয়াবহ ভূমিকম্পের ক্ষত এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি।

মাত্র দুই মাসেরও কম সময় আগে ভেনেজুয়েলার উত্তরাঞ্চলে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ওই দুই ভূমিকম্পে ৬ হাজার ১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফলে কলম্বিয়ার নতুন ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য পরাঘাত এবং আরও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল গভীরে হওয়ায় এর প্রভাব দেশটির বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অনুভূত হয়েছে। উপকূলীয় এলাকা থেকে শুরু করে রাজধানী বোগোতা এবং কফি অঞ্চলের বিভিন্ন শহর পর্যন্ত কম্পন অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

প্রাথমিকভাবে আহতের খবর পাওয়া গেলেও হতাহতের পূর্ণ সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। একইভাবে ভবন, সড়ক, যোগাযোগ অবকাঠামো ও অন্যান্য স্থাপনায় মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য পরাঘাতের বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকারী ও জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে তৎপরতা শুরু করেছে। ধ্বংসস্তূপে কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা খুঁজে দেখতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো নিরাপদ কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি