July 29, 2026, 5:34 pm
শিরোনাম:
গঙ্গাচড়ায় গর্তে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি গাইবান্ধায় আড়াই বছর ধরে আটকে রয়েছে ৭টি সেতুর কাজ, ৪টি সেতুর কাজ শুরু হয়নি রামগতিতে পানির লাইন খুঁড়তে মিলল তিনটি মর্টার শেল সদৃশ বস্তু নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩ এর উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সুধী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে “নাগরিক ভাবনাঃ আমাদের করণীয়” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের নবনিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আকরাম এলাহী মাদকবিরোধী অভিযানে কৃতিত্বের স্বীকৃতি, সম্মানিত রাঙ্গামাটি পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন আলমগীর শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক ৩ জাপানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩, চলছে উদ্ধার অভিযান জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

সিসি ব্লক সরে দুর্বল কুয়াকাটার শহর রক্ষা বাঁধ, বর্ষা-ঘূর্ণিঝড়ে বড় ভাঙনের শঙ্কা

মো. মিজানুর রহমান, পটুয়াখালী

দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটার শহর রক্ষা বাঁধের বিভিন্ন স্থানে সিসি (কংক্রিট) ব্লক সরে যাওয়া ও দেবে যাওয়ায় বড় ধরনের ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কুয়াকাটা চৌরাস্তা থেকে লেম্বুর বন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বাঁধের একাধিক স্থানে ব্লকের নিচ থেকে বালি ও মাটি সরে যাওয়ায় বাঁধের সুরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এতে আসন্ন বর্ষা, জোয়ারের তীব্র চাপ কিংবা সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের সময় বাঁধটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ব্যাপক দুর্যোগের আশঙ্কায় উদ্বেগে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও পর্যটনসংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামপুর দাখিল মাদরাসা-সংলগ্ন সানসেট পয়েন্ট এবং ১ নম্বর ওয়ার্ডের আশিঘর এলাকার অর্কা পল্লী-সংলগ্ন অংশে অন্তত দুটি স্থানে সিসি ব্লক সম্পূর্ণ সরে গেছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে ব্লক দেবে গিয়ে বড় বড় ফাটল ও বিপজ্জনক ফাঁকা অংশের সৃষ্টি হয়েছে। ব্লকের নিচ থেকে ক্রমাগত বালি ও মাটি ধুয়ে যাওয়ায় বাঁধটির স্থায়িত্ব মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বছর বর্ষা, ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সময় ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। তবে দীর্ঘদিনেও স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, দ্রুত টেকসই সংস্কারকাজ শুরু না হলে যেকোনো সময় বাঁধের বড় ধরনের ধস নামতে পারে। এতে কুয়াকাটা শহর, বসতবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং পর্যটন অবকাঠামো মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো দ্রুত ও স্থায়ীভাবে সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, কুয়াকাটার মতো গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় পর্যটননগরীকে রক্ষায় শহর রক্ষা বাঁধের টেকসই সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *