June 21, 2026, 2:51 pm
শিরোনাম:
খুলনায় ৭১ টেলিভিশন অফিসে দুর্ধর্ষ চুরি, চোর চক্র সক্রিয়, প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে চুরি পাইকগাছায় দীর্ঘদিন সংস্কার অভাবে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক জরাজীর্ণ! চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী!! টি-২০তে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করল অস্ট্রেলিয়া ড্রেনের কালো ময়লা পানিতে তাদের জীবিকা সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা শুরু, মধ্যস্থতায় কাতার-পাকিস্তান মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বৃদ্ধাশ্রমে ‘ফলে-গল্পে নবীন-প্রবীণ হৃদ্যতার আড্ডা’ ডুয়েটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও জলবায়ু বিষয়ক মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে নতুন ইতিহাস বাংলাদেশের বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার দেশভাগ ও অনুপ্রবেশ বিষয়ে হুঁশিয়ারি মোদির

বৈধ বিবাহকে ‘ধর্ষণ মামলা’ আখ্যা দিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার :

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের চর হরিপুর (নিজবাড়ী) এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বৈধ বিবাহকে ধর্ষণ মামলা হিসেবে উপস্থাপন করে মানিক ওরফে নাহিদের ছবি ব্যবহার করে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ এনে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন নাহিদের পরিবারের সদস্যরা।রোববার (২১ জুন) দুপুরে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের চর হরিপুর নিজ বাড়িতে এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাহিদের ছোট ভাই নুরনবী ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে নুরনবী বলেন,একটি সংবাদ সম্মেলনের ব্যানারে আমার বড় ভাই মানিক ওরফে নাহিদের ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালানো হয়েছে।ওই সংবাদ সম্মেলনের অন্যতম আয়োজক ছিলেন নাহিদের শ্বশুর ফিরোজ শেখের সৎভাই সুমন শেখ।অথচ তাদের পরিবারের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা করা হয়নি।
তিনি জানান, তার বড় ভাই নাহিদের সঙ্গে ফারজু আক্তার রিতুর বিয়ে পারিবারিকভাবে সম্পন্ন হয়। রিতুর বাবা ফিরোজ শেখের বর্তমান স্ত্রী দোলনা শেখের সঙ্গে আলোচনা এবং পারিবারিক সম্মতির ভিত্তিতেই এ বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। বিয়ের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাইফুল খান ও ফিরোজ শেখ
সম্পর্কে মামাতো ফুফাতো ভাই। তাদের দাবি, গত ২১ মে ২০২৬ তারিখে শামীম কাজীর মাধ্যমে নাহিদ ও রিতুর বিবাহ সম্পন্ন হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ফিরোজ শেখের একাধিক স্ত্রী রয়েছে। প্রথম স্ত্রী বর্তমানে ময়মনসিংহের ভালুকায়, দ্বিতীয় স্ত্রী রোকসানা গাজীপুরে এবং তৃতীয় স্ত্রী দোলনা শেখ উত্তরায় বসবাস করেন।২১ তারিখ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত মামলার বাদী রোকসানা তার মেয়ে নিখোঁজ সংক্রান্ত কোন জিডি থানায় করেননি। কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) না করলেও পরবর্তী
২৫ তারিখে মামলা দায়ের করেন।তবে মামলার এজাহারসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে রিতুর সঙ্গে নাহিদের পূর্বপরিচয় ও পারিবারিক সম্পর্কের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি করা হয়।
নুরনবী ইসলাম অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজ শেখের সৎভাই সুমন শেখ মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করেছেন।এর মাধ্যমে নাহিদ ও তার পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।তারা এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে জামালপুরের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তরা বিভাগের ডিসি এবং গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গাছা বিভাগের ডিসিকেও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সংবাদ সম্মেলনে যে মিথ্যা ও বানোয়াট, তথ্য উপস্থাপন করেছেন,তা প্রত্যাহার করে নেওয়ার অনুরোধ করছি।না হলে ফিরোজ শেখসহ সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে আমরা আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পরিবারের সদস্য মানিক ওরফে নাহিদের বাবা দুদু মিয়া, মাতা নার্গিস বেগম, প্রতিবেশী আলামিন, সাদেক খোবায়েত ও জরিনা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান।