ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি থেকে বিএনপির সর্বোচ্চ নিতি নির্ধারণী ফোরামের সদস্য। অন্যদিকে সরকারি চাকরি ছেড়ে আবারো রাজনীতিতে ফিরে অন্তর্ভুক্ত হন মন্ত্রিসভায়। জীবনের বাঁকে বাঁকে এমন সব অধ্যায় ফেরনো সালাউদ্দিন আহমেদ এবার যুক্ত হলেন তারেক রহমানের কেবিনেটে।১৯৬২ সালে কক্সবাজারে জন্ম সালাউদ্দিন আহমেদর। কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে ১৯৮০ সালে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে। নির্বাচিত হন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি। ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব ও সামলান কিছুদিন।পরে সপ্তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে যোগদেন সরকারি চাকরিতে।১৯৯১সালে নিয়োগ পান তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহকারী একান্ত সচিব বা এপিএস হিসেবে।১৯৯৬ সালে জানুয়ারিতে সরকারি চাকরি থেকে স্তফা দিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরেন সালাউদ্দিন আহমেদ। টানা তিন নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন কক্সবাজার ১ আসন থেকে।২০০১ সালে বেগম জিয়ার মন্ত্রিসভায় যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি।২০১০ সালের কাউন্সিলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন সালাউদ্দিন আহমেদ।২০১৫ সালে বিএনপির আন্দোলনের সময় উত্তরা থেকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণ করা হয় থাকে।পরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে তাকে আটক করে ভারতীয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। শিলং এ নির্বাসিত থাকা অবস্থায় নির্বাচিত হন দলের সর্বোচ্চ নিতি নির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্য।৫ আগষ্ট গন অভ্যুত্থানের পর দেশে ফিরেন সালাউদ্দিন আহমেদ। জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের বৈঠকে বিএনপির প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি। দিনের পর দিন খোরহদার যুক্তিতর্ক দিয়ে কমিশন সভায় অগ্রাধিকার এ রাখেন সংবিধান আইন বিধিমালা।