June 15, 2026, 7:33 am
শিরোনাম:
নিখোঁজ মুক বধিরের খোঁজে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে উস্তি থানার এসআই পার্থ সাহা বাংলাদেশের ঐতিহাসিক কূটনৈতিক সাফল্যে অভিনন্দন দেশবন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ সিরাজগঞ্জে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন এমপি আমির হামজা! গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ফেসবুকে অপপ্রচারের ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি প্রদান বহিরাগত প্রো-ভিসি নিয়োগ প্রত্যাখ্যান: গাকৃবিতে শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন, প্রশাসনিক ভবন অবরুদ্ধ শরীয়তপুরের চন্দ্রপুরের কীর্ত্তীনগর যুব সমাজ কল্যাণ সংগঠন অসহায় প্রতিবন্ধী কুলসুমকে ঘর উপহার দিল: আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কুলসুমের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ টাঙ্গাইলে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মায়ের মরদেহ আটক করে ছেলেকে কান ধরে উঠবস

ফরিদপুর চিনিকলের বর্জ্যে দূষিত চন্দনা নদীরপানি

শাহজাহান হেলাল,-ফরিদপুর থেকে:

ফরিদপুর চিনিকলের বর্জ্যে চন্দনা নদের পানি কালচে বা কালো ও দুর্গন্ধ হয়েছে। এই পানি দিয়ে সেচ ও অনান্য কাজ করতে পারছেন নাএলাকাবাসী।মঙ্গলবার দুপুরে মধুখালী থেকে বালিয়াকান্দী সড়কের চন্দনা নদীর ব্রিজের উপর দারিয়ে দেখা যায় মধুখালী থানাগেট খাল দিয়ে পানি এসে পরছে নদীতে। এতে চন্দনা নদীর এক পাশের পানি পরিষ্কার ও অন্য পাশে চিনিকলের বর্জ্যে কালচেতে বা কালোতে পরিনত হয়েছে। এক মাসে আগেও যেখানে নদীর পানি স্বচ্ছ ছিল এখন তা কালচে হয়েছে; দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, চিনিকল ছাড়া পানিতে এমন খারাপ অবস্থা। উপজেলার পশ্চিম গাড়াখোলা চন্দনা নদীর নিকটের বাসিন্দা মোঃ জিল্লাল হোসেন জানান, ফরিদপুর চিনিকলের বর্জ্যের পানিতে চন্দনা নদীর পানি কালচে ও দুর্গন্ধ হয়েছে। এই দূষিত পানিতে মাছসহ কোনো পোকামাকড় জলজ প্রাণী বাঁচা অসম্ভব। মধুখালী বাজারে বসবার কারী সুমন সরকার,মনি বালাও পুস্প রানী বলেন আমাদের স্ণানসহ পরিবারের কোন কাজই করতে পারছিনা । দেখার কেউ নাই ।
চিনিকল কর্তৃপক্ষের দাবি, চিনিকলের বর্জ্য নদে ফেলা হয় না। চিনিকলেই সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকলেও তা পর্যাপ্ত নয়।
সরজমিনে দেখা যায় ফরিদপুর চিনিকলের থেকে মিলগেট খাল দিয়ে চিনিকলের কালো পানি নদীতে পরছে। এতে চন্দনা নদীর দক্ষিণদিকের পানির রং কালচে বা কালো হয়েছে। চিনিকলের কাছে গিয়ে দেখা যায় বর্জ্য বের হওয়ার নালা বস্তা দিয়ে বন্ধ করা থাকলেও পানির চাপে তা কার্যকর হচ্ছে না।
মিলসগেট এলাকায় একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা যায়, কিছুদিন আগেও চিনিকলের যান্ত্রিকত্রুটি ও শ্রমিকদের অসাবধনতার কারনে অনেক আখের রস নষ্ট হয়েছে। সেগুলো খাল ও নদীতে ফেলা হয়েছে। এতে রিবেশ
দূষিত হচ্ছে। মধুখালী বাজারের বাসিন্দা ও সিনিয়র শিক্ষক বৈদ্যনাথ সরকার জানান, চিনিকলের বর্জ্য নদের পানিতে মিশে যাচ্ছে। নদীর পানিতে কোন কাজ করা তো দুরের কথা দুর্গন্ধে কাছ দিয়ে হেঁটে যাওয়াও সম্ভব হচ্ছে না। পরিবেশ রয়েছে মারাত্বক হুমকিতে।
নদীকুলের বাসিন্দা রহিমা বেগম বলেন, নদীর পানি দিয়ে তিনি কাপড় ধোয়ার কাজ করতেন। সেখানে চিনিকলের বর্জ্য আসায় নদীর পানি কালো হয়েছে। দুর্গন্ধও বের হচ্ছে। এখন ওই পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। চিনিকলে মাড়াই বন্ধের এক থেকে দেড় মাস পর নদের পানি আবার স্বাভাবিক হয়।ফরিদপুর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারেক ফরহাদ এর নিকট চন্দনা নদীতে চিনিকলের বর্জ্য ও দূষিত পানি প্রবাহের কারনে এলাকায় দুর্গন্ধ হচ্ছে বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ রকম ঘটনা ঘটেনি। এ ব্যাপারে আমি আগেও দু’জন সাংবাদিকের সাথে কথা বলেছি, আপনি দেরি করে ফেলেছেন। আমরা যথেষ্ঠ সাবধানতা অবলম্বন করে পানি আমাদের নিজস্ব স্থানে ফেলছি, দু’চার ফোটা পানি যেতে পারে তবে এখন পর্যন্ত কোন মাছ মরেনি।