সৎ পিতা রফিকুল হাওলাদার শামীম( ১৪) মুস্তাকিম( ৪)শাশুড়ি বেবি বেগম( ৫০)কে হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে সোনাডাঙ্গা আলীর ক্লাব মোড়ের আশপাশে অবস্থান করেছিল। পুলিশ তার মোবাইল নাম্বার ট্রাকিং করে এ তথ্য জানিয়েছে। ঘাতক রফিকুল হাওলাদার একজন কার ড্রাইভারএবং নেশাগ্রস্ত। রফিকুল হাওলাদার নগরীর মহেশ্বর পাশা মানিকতলা এলাকার আলমগীর হাওলাদারের ছেলে। ঘটনার পর হতে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে তার সহকর্মী অন্য ট্রাক ড্রাইভারেরা। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন রফিকুল খুলনাতেই আছে কিন্তু বারবার তার অবস্থান পরিবর্তনের কারণে তাকে ধরা সম্ভব হচ্ছে না। তবে প্রশাসনের একাধিক টিম কাজ করছে তাকে ধরার জন্য, আশা করছি খুব শীঘ্রই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। ঈদের দিন রফিকুল তার স্ত্রীর আগের পক্ষের দুই ছেলে ও শাশুড়িকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে। খুলনা মহানগরীর আলীর ক্লাব মোড়ে এক ভাড়া বাড়িতে থাকতেন তারা।