May 9, 2026, 3:26 am
শিরোনাম:
মানবতার আলো ছড়ানো এক অনন্য ব্যক্তিত্ব আল-আমিন শাওন গাইবান্ধায় টিআরসি নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা উপলক্ষে ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত শাহজাদপুরে কবি গুরুর ১৬৫ তম জন্মোৎসব বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত আধুনিক ভ্রমণ ব্যবস্থা ও ইসলাম: কী বলছেন আলেমরা কুরআন- হাদীসের আলোকে বিশ্লেষণ পূবাইলের বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সাবেক মোতাওয়াল্লীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন আমিরুজ্জমান শাহ্ পবিত্র চাহরাম শরীফ ও নুরুল হক শাহ্ আমির ভান্ডারীর ১৬ তম বার্ষিক ওরশ সম্পন্ন সাঘাটায় ইয়াবাসহ তরুণ মাদক কারবারি আটক, পুলিশের অভিযানে উদ্ধার ৫৫ পিস ইয়াবা মহেশপুরে সরকারি সার কালোবাজারে বিক্রি জনতার হাতে আটক সাব-ডিলার লক্ষ্মীপুরে সরকারি ভাতার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে উধাও প্রতারক চক্র, দিশেহারা শত শত মানুষ ৩ বছরের শেষ হয়নি বগুড়ার ফতেহ আলী সেতুর র্নির্মাণ কাজ।। দফায় দফায় মেয়াদ বৃদ্ধি। ভোগান্তিতে জনগন

৩ বছরের শেষ হয়নি বগুড়ার ফতেহ আলী সেতুর র্নির্মাণ কাজ।। দফায় দফায় মেয়াদ বৃদ্ধি। ভোগান্তিতে জনগন

সুব্রত ঘোষ, বগুড়া :

বগুড়ার করতোয়া নদীর ওপর ফতেহ আলী সেতু র্নির্মাণের কাজ তিন বছরেও শেষ হয় নি। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো কাজ শেষ না হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে জনগন। বগুড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া শহরের করতোয়া নদীর উপর ফতেহ আলী সেতুটি ২০১৮ সালে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। কিছু দিন পর সেতুটিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীকালে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রায় ১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ব্যয়ে পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়। কার্যাদেশ অনুযায়ী ২০২৪ সালের মে মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কয়েক দফায় সময় বাড়িয়ে সর্বশেষ ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সেই সময়সীমাও অনেক আগে শেষ হয়েছে, তবুও কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর প্রায় ৮৭ শতাংশ ভৌত কাজ শেষ হলেও এখনো রেলিং ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ বাকি রয়েছে। সেতুর ওপর অস্থায়ীভাবে বাঁশের ঘেরা দিয়ে রাখা হয়েছে, যা পথচারীদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজের ধীরগতির কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে, এমনকি হোঁচট খেয়ে নদীতে পড়ে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। গাবতলী মধ্যেপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলাম দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা কে বলেন, এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন পূর্ব বগুড়া, গাবতলী, সারিয়াকান্দি, সোনাতলা এলাকার হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। সংযোগ সড়ক নির্মাণ হলেও সেতুর কাজ শেষ না হওয়ায় আমাদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। চেলোপাড়ার সুজন চৌহান জানান, এই সেতুর উপর ফুটপাত দখল করে দোকানপাট বসানো এবং অটোরিকশা দাঁড়িয়ে থাকার কারণে স্কুলগামী শিশুদের নিয়ে চলাচল করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত ফুটপাত দখলমুক্ত করে সেতুর কাজ সম্পন্ন করার জন্য কতৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানান। এ বিষয়ে বগুড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদুল হক দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা কে বলেন, ৩১ জুলাই ২০২২ সালে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। বর্তমানে ভৌত কাজের অগ্রগতি ৮৭ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৫৬ শতাংশ। চুক্তিমূল্য অপরিবর্তিত রেখেই অবশিষ্ট কাজ, বিশেষ করে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ, আগামী দুই মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করছি। স্থানীয়দের মতে, বগুড়া শহরের সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এই সেতু। দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণকাজ ঝুলে থাকায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। স্থানীয় দের মতে দ্রুত ফতেহ আলী সেতুর নির্মান কাজ শেষ হলে পূর্ব বগুড়ার সাথে বগুড়া শহরের যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে ফলে ব্যবসার প্রসার হবে। কৃষক তাদের ফসল দ্রূত রপ্তানি করতে পারবে।
সুব্রত ঘোষ
বগুড়া