গত পরশু ভারতের মোট পাঁচ টি রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন এর ফল প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে দক্ষিণ ভারতের কেরালা রাজ্যের ক্ষমতা দখল করতে চলছে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস ও তামিলনাড়ুর ক্ষমতা দখল করতে চলছে তালাপত্তি বিজয়ের দল ও পান্ডিচেরীতে ক্ষমতা দখল করতে চাইছে বিজেপি জোট এবং ভারতের পূর্ব রাজ্যের অসমের ক্ষমতা দখল করতে চলছে বিজেপি। সেই সঙ্গে পশ্চিম বাংলার বিজেপি র ঝড়ের দাপটে উড়ে গেছে তৃনমূল কংগ্রেসের ঘাসফুল।এই রাজ্যের ক্ষমতা দখল করতে চলছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই বিজেপি দল তার মন্ত্রী সভার ঘটন নিয়ে আলোচনা শুরু করে দিয়েছে। তার মধ্যে পরিবর্তনের হাওয়া বদলে তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীদের উপর জুলুম ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। অনেকক্ষেত্রেই আবার তৃনমূল কংগ্রেস বিজেপি ও তার দোসরদের উত্তর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও আই এস এফ ও ভারতের জাতীয় কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট এর নেতা ও কর্মীদের উপর জুলুম ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এমন ঘটনা অবলম্বনে বন্ধ করতে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার শ্রী গনেশ কুমার। তিনি ইতিমধ্যে পশ্চিম বাংলার পুলিশ আধিকারিক ও কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও বিভিন্ন জেলার এস পি ও ডি এম এবং আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের হিংসা বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে পশ্চিম বাংলার বিরোধী দলের নেতা শ্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি দলের সভাপতি শ্রী সোমিক ভট্টাচার্য বিজেপি দলের নেতা ও কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন যে তারা যেন কোন ভাবেই বিরোধী দলের নেতা ও কর্মীদের উপর জুলুম ও নির্যাতনের ঘটনা না ঘটায়। সেই সঙ্গে বিরোধী দলের দলীয় পার্টি অফিস দখল করখ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করবেন না বলে জানিয়েছেন। তাতে সাংবিধানিক অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পশ্চিম বাংলার রাজ্যপাল কি ভূমিকা পালন করতে পারে তা দেখার জন্য তাকিয়ে আছে গোটা দেশ।