July 29, 2026, 5:08 pm
শিরোনাম:
গঙ্গাচড়ায় গর্তে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি গাইবান্ধায় আড়াই বছর ধরে আটকে রয়েছে ৭টি সেতুর কাজ, ৪টি সেতুর কাজ শুরু হয়নি রামগতিতে পানির লাইন খুঁড়তে মিলল তিনটি মর্টার শেল সদৃশ বস্তু নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩ এর উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সুধী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে “নাগরিক ভাবনাঃ আমাদের করণীয়” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের নবনিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আকরাম এলাহী মাদকবিরোধী অভিযানে কৃতিত্বের স্বীকৃতি, সম্মানিত রাঙ্গামাটি পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন আলমগীর শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক ৩ জাপানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩, চলছে উদ্ধার অভিযান জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

মায়ের মরদেহ আটক করে ছেলেকে কান ধরে উঠবস

এস, এম শাহাদৎ হোসাইন রংপুর

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে বিনা চিকিৎসায় মায়ের মৃত্যুর অভিযোগে কর্তব্যরত ৩ চিকিৎসকের ওপর হামলা করে আহত করার ঘটনায় লাশ দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা ডেড হাউজে আটকে রেখে বিক্ষোভ করেন চিকিৎসকরা। পরে অভিযুক্ত ছেলে রিফাতকে বাসা থেকে ডেকে এনে মায়ের মরদেহ ফেরৎ দেওয়ার আগে শর্ত অনুযায়ী রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ের একটি কক্ষে কান ধরে প্রকাশ্য উঠবস করানো হয়। কান ধরে ঊঠবস করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় রংপুর জুড়ে তোলপাড় হয়। মরদেহ আটকের মাধ্যমে জিম্মি করে কান ধরে উঠবস করার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। গত ১৩ জুন শনিবার ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে চিকিৎসাধিন রংপুর নগরীর নিউ জুম্মাপাড়ার নুরজাহান বেগম নামে এক বৃদ্ধা চিকিৎসকদের অবহেলায় মৃত্যুবরণ করেন বলে অভিযোগ স্বজনদের। মা নুরজাহান বেগমের মৃত্যুর পর রিফাত ক্ষুব্ধ হয়ে কর্তব্যরত ২ চিকিৎসকের ওপর চড়াও হন। তাদের মারধর করেন বলে অভিযোগ চিকিৎসকদের। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে সকাল থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত জরুরি বিভাগ বন্ধ করে দিয়ে হাসপাতালে ধর্মঘট পালন করেন চিকিৎসকরা। তারা ডেড হাউজের সামনে অবস্থান নিয়ে নুরজাহান বেগমের মরদেহ আটকে রাখেন। চিকিৎসকদের দাবি অভিযুক্ত রিফাতকে হাসপাতালে এসে ক্ষমা চাইতে হবে, তা হলেই মরদেহ মিলবে। পরে ১১ ঘণ্টা পর বিকেল ৪ টার দিকে রিফাত হাসপাতালে এলে তাকে একটি কক্ষে নিয়ে কান ধরে ১০ বার উঠবস করানো হয়। এ ব্যাপারে কোনো চিকিৎসক কিংবা হাসপাতালের কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *