July 29, 2026, 4:57 pm
শিরোনাম:
গঙ্গাচড়ায় গর্তে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি গাইবান্ধায় আড়াই বছর ধরে আটকে রয়েছে ৭টি সেতুর কাজ, ৪টি সেতুর কাজ শুরু হয়নি রামগতিতে পানির লাইন খুঁড়তে মিলল তিনটি মর্টার শেল সদৃশ বস্তু নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩ এর উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সুধী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে “নাগরিক ভাবনাঃ আমাদের করণীয়” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের নবনিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আকরাম এলাহী মাদকবিরোধী অভিযানে কৃতিত্বের স্বীকৃতি, সম্মানিত রাঙ্গামাটি পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন আলমগীর শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক ৩ জাপানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩, চলছে উদ্ধার অভিযান জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

মেয়াদ শেষ, তদারকি নেই-গিদারী-নয়া বন্দর সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত ও কাজের মান যাচাইয়ের দাবিতে ক্ষোভ

‎ মোঃ মাহমুদুল হাবিব রিপন, গাইবান্ধা 

‎গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়ন থেকে নয়া বন্দর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন কাজে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার এবং প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সময় বৃদ্ধি (টাইম এক্সটেনশন) অনুমোদনের আগেই কাজ চালানো হচ্ছে।
‎সরেজমিনে গিয়ে কয়েকজন সাংবাদিক দেখতে পান, সড়কের বিভিন্ন অংশে উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। তবে কাজের স্থানে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো তদারকি কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি।
‎স্থানীয় সূত্র জানায়, ঈদুল আযহা উপলক্ষে সরকারি অফিস বন্ধ থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ছিল না। এ কারণে কাজের মান নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।


‎খরিয়ারচর গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। তাদের দাবি, যথাযথ নজরদারি না থাকায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নিজেদের মতো করে কাজ পরিচালনা করছে, যা ভবিষ্যতে সড়কের স্থায়িত্বকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
‎এ বিষয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী রাজ্জাক বলেন, এই রাস্তার কাজের মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়েছে। সময় বৃদ্ধির জন্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ঢাকায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠিয়েছে।
‎অন্যদিকে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের পার্টনার মাসুম দাবি করেন, নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে। সময় বৃদ্ধির বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
‎অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে গাইবান্ধা সদর উপজেলা প্রকৌশলী বাবলু মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
‎স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অনুমোদন ছাড়া কাজ চালানো এবং নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *