May 1, 2026, 12:44 am
শিরোনাম:
অতিবৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা: কৃষক ও সাধারণ মানুষের পাশে চেয়ারম্যান প্রার্থী আনিছ ফরিদপুরে সাপের ছোবল খেয়ে সাপ নিয়েই চিকিৎসকের কাছে রিপন নরসিংদীতে ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে তিন গম্বুজ জামে মসজিদের-শত শত বছরের প্রাচীন ইতিহাস, রহস্য, জনশ্রুতি ও ঐতিহ্যে ঘেরা এক অনন্য নিদর্শন জামালপুরে STJSS এর উদ্যোগে যুব ইয়ুথদের সাথে অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্টারেক্টিভ সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক সেশন রাজধানীর পল্লবীতে একটি রিভালবারসহ ৫৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পল্লবী থানা পুলিশ টাঙ্গাইল মেডিকেলে মাথায় অক্সিজেন সিলিন্ডার পড়ে রোগীর মৃত্যু শ্রমের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় মহান মে দিবসে ঐক্যের ডাক: ১ মে শ্রমিক সমাবেশে যোগদানের আহ্বান ফরিদপুরে নিখোঁজ শিশুর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেগ-উচ্ছ্বাসে উদযাপিত গ্র্যাজুয়েশন দিবস ২০২৬

মাদারীপুরে হত্যা মামলার জেরে আসামিপক্ষের ৪টি বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

মাদারীপুর প্রতিনিধি:

মাদারীপুরে আব্বাস চৌধুরী (৪৫) হত্যাকান্ডের জেরে আসামিপক্ষের ৪টি বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। পুরুষশূণ্য থাকায় রোববার রাতে ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের খাতিয়াল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ডাসার উপজেলার খাতিয়াল গ্রামের আবুল জমাদ্দারের সঙ্গে একই এলাকার শহীদ মাতুব্বার ও আব্বাস চৌধুরীর সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। এরই জেরে ১৪ জানুয়ারি দুপুরে আব্বাস চৌধুরীকে কুপিয়ে জখম করলে গুরতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসাপাতালে প্রেরণ করা হলে ১৮ জানুয়ারি দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। এ ঘটনায় নিহতের বোন সাহিনুর বেগম বাদী হয়ে ৩০ জনের নাম মামলা করেন। মামলার পরে এলাকাছাড়া আসামিপক্ষ। এই সুযোগে ওই এলাকার মৃত করম শেখের ছেলেদের ৪টি বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাট করার অভিযোগে ওঠে বাদীপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে সোমবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছে পুলিশ। আশ্বাস দেয়া হয়েছে ব্যবস্থা গ্রহনের।


করম শেখের স্ত্রী ফুলমালা বেগম বলেন, ‘হত্যাকান্ডে আমরা জড়িত না থাকলেও আমাদেরকে আসামি দেয়া হয়েছে। মামলা হলে আমার ছেলেরা কেউই বাড়িতে থাকে না। প্রতিশোধ নিতে তালাবদ্ধ ঘরে ঢুকে ভাংচুর চালায় নিহত আব্বাসের লোকজন। লুটপাট করে সবকিছুই নিয়ে যায়। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।’
মামলার বাদী সাহিনুর বেগম বলেন, ‘আমাদের লোকজন কেউই কারো বাড়িঘরে হামলা বা ভাংচুর করেনি। লুটপাটও করেন। হত্যাকান্ডের ঘটনা থেকে বাঁচতে তারা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে।’
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আব্বাস চৌধুরী হত্যাকান্ডে বেশ কয়েকজন আসামি গ্রেফতার হয়েছে। বাকিদের ধরতে চলছে অভিযান। এই ঘটনায় আসামিপক্ষের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ থানায় লিখিত পাওয়া গেলে তদন্তপূর্বক আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’