May 1, 2026, 2:11 am
শিরোনাম:
অতিবৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা: কৃষক ও সাধারণ মানুষের পাশে চেয়ারম্যান প্রার্থী আনিছ ফরিদপুরে সাপের ছোবল খেয়ে সাপ নিয়েই চিকিৎসকের কাছে রিপন নরসিংদীতে ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে তিন গম্বুজ জামে মসজিদের-শত শত বছরের প্রাচীন ইতিহাস, রহস্য, জনশ্রুতি ও ঐতিহ্যে ঘেরা এক অনন্য নিদর্শন জামালপুরে STJSS এর উদ্যোগে যুব ইয়ুথদের সাথে অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্টারেক্টিভ সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক সেশন রাজধানীর পল্লবীতে একটি রিভালবারসহ ৫৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পল্লবী থানা পুলিশ টাঙ্গাইল মেডিকেলে মাথায় অক্সিজেন সিলিন্ডার পড়ে রোগীর মৃত্যু শ্রমের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় মহান মে দিবসে ঐক্যের ডাক: ১ মে শ্রমিক সমাবেশে যোগদানের আহ্বান ফরিদপুরে নিখোঁজ শিশুর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেগ-উচ্ছ্বাসে উদযাপিত গ্র্যাজুয়েশন দিবস ২০২৬

কমলনগর ও রামগতিতে গবাদিপশুতে ‘পক্স’ আতঙ্ক: দিশেহারা খামারিরা

​ প্রতিবেদক,কবির হোসেন রাকিব  লক্ষ্মীপুর

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে হঠাৎ করেই গবাদিপশুর মধ্যে ‘পক্স’ বা বসন্ত রোগের তীব্র প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিনে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছু গরু ও ছাগল মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ফলে সাধারণ খামারি ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
​বর্তমান পরিস্থিতি:
স্থানীয় খামারিদের সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ করেই গরু ও মহিষের শরীরে গুটি বা ফোসকা দেখা দিচ্ছে। এর সাথে থাকছে তীব্র জ্বর এবং খাবারের প্রতি অরুচি। রোগটি ছোঁয়াচে হওয়ায় দ্রুত এক পশু থেকে অন্য পশুতে ছড়িয়ে পড়ছে। উপজেলার চর ফলকন, পাটারীরহাট ও চর কালকিনিসহ কয়েকটি এলাকায় পক্সের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। অনেক কৃষক তাদের শেষ সম্বল গৃহপালিত পশুটি হারিয়ে এখন দিশেহারা।
​খামারিদের অভিযোগ:
ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের দাবি, পক্সের প্রকোপ দেখা দিলেও মাঠ পর্যায়ে প্রাণিসম্পদ অফিসের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সচেতনতা বা জরুরি চিকিৎসার অভাব রয়েছে। সময়মতো চিকিৎসা ও পরামর্শ না পাওয়ায় পশুর অবস্থা দ্রুত অবনতি ঘটছে। অনেক ক্ষেত্রে পল্লী চিকিৎসকদের ওপর নির্ভর করতে গিয়ে ভুল চিকিৎসার শিকার হচ্ছেন তারা।
​বিশেষজ্ঞ ও প্রাণিসম্পদ অফিসের পরামর্শ:
পশু চিকিৎসকদের মতে, এটি মূলত একটি ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত পশুকে দ্রুত সুস্থ পশু থেকে আলাদা করতে হবে। মশা ও মাছি এই রোগের অন্যতম বাহক, তাই গোয়ালঘর পরিষ্কার রাখা এবং মশারি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
​আতঙ্ক নিরসনে জরুরি পদক্ষেপ:
এলাকাবাসীর দাবি, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর যেন দ্রুত উপদ্রুত এলাকায় মেডিকেল টিম গঠন করে চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয় এবং জরুরিভিত্তিতে টিকা প্রদানের মাধ্যমে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে আনে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এই অঞ্চলের খামারিরা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।