July 29, 2026, 5:02 pm
শিরোনাম:
গঙ্গাচড়ায় গর্তে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি গাইবান্ধায় আড়াই বছর ধরে আটকে রয়েছে ৭টি সেতুর কাজ, ৪টি সেতুর কাজ শুরু হয়নি রামগতিতে পানির লাইন খুঁড়তে মিলল তিনটি মর্টার শেল সদৃশ বস্তু নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩ এর উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সুধী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে “নাগরিক ভাবনাঃ আমাদের করণীয়” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের নবনিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আকরাম এলাহী মাদকবিরোধী অভিযানে কৃতিত্বের স্বীকৃতি, সম্মানিত রাঙ্গামাটি পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন আলমগীর শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক ৩ জাপানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩, চলছে উদ্ধার অভিযান জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

ইরানের সামরিক শক্তি এখনো অক্ষুণ্ণ: মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য

নিউজ পাওয়ার ২৪ ডেস্ক:

ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তপ্ত সামরিক সংঘাতের রেশ কাটতে না কাটতেই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর এক চাঞ্চল্যকর মূল্যায়ন সামনে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহের টানা মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা সত্ত্বেও ইরানের সামরিক সক্ষমতা এখনো অনেকাংশেই অক্ষুণ্ণ রয়েছে।

গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে তিনজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত ৭ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন, তখনও ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সংশ্লিষ্ট লঞ্চ সিস্টেমের প্রায় অর্ধেকই পুরোপুরি কার্যকর ছিল। এছাড়া ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি-র নৌবাহিনীর প্রায় ৬০ শতাংশ সরঞ্জাম, বিশেষ করে তাদের অত্যন্ত কার্যকর ফাস্ট-অ্যাটাক স্পিডবোটগুলো এখনো যুদ্ধের ময়দানে সক্রিয় রয়েছে।

এদিকে হোয়াইট হাউস এবং মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র মাধ্যমে ইরানের সামরিক কোমর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। খোদ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে তারা ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনীকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছেন। এমনকি যুদ্ধ সচিব পিট হেগসেথ এই অভিযানকে এক বিশাল বিজয় হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, ইরান আগামী কয়েক বছরের জন্য লড়াই করার ক্ষমতা হারিয়েছে। তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের গোপন রিপোর্ট এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিআইএ-এর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেমস অ্যাডামসের লিখিত বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে। জেনারেল অ্যাডামস সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের হাতে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র এবং আত্মঘাতী ড্রোন রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ইরানের সামরিক কমান্ডও বেশ কড়া ভাষায় পাল্টা জবাব দিয়েছে। আইআরজিসির নৌবাহিনী বুধবার জানিয়েছে, তারা কৌশলগত হরমোজ প্রণালিতে আইন লঙ্ঘনের দায়ে ইসরায়েলি মালিকানাধীন এমএসসি ফ্রান্সেসকা এবং এপামিনোডস নামের দুটি জাহাজ আটক করে নিজেদের জলসীমায় নিয়ে গেছে। ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের কমান্ডার মেজর জেনারেল আলী আবদোল্লাহি মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবিকে ‘মিথ্যা ও কাল্পনিক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন যে, যুদ্ধক্ষেত্রে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে এবং ওয়াশিংটনের কোনো মিথ্যা প্রচারণাকে তারা পাত্তা দিচ্ছে না। ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবৈধ নৌ-অবরোধ তুলে না নেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত কৌশলগত হরমোজ প্রণালী সকল ট্রাফিকের জন্য বন্ধ থাকবে। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন চাপের মুখে তেহরানের এই অনমনীয় মনোভাব প্রমাণ করে যে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর তাদের অগাধ আস্থা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *