June 27, 2026, 8:38 pm
শিরোনাম:
সাতকানিয়ায় পুরানগড়ে চুরি প্রতিরোধে সচেতন নাগরিক কমিটি গঠন, নিরাপত্তা জোরদারে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান যেখানে পাখিরা চেয়েছিল একটু নিরাপদ আশ্রয়, সেখানে মানুষ নামল উচ্ছেদের নোংরা খেলায়! ময়মনসিংহে গণভোটের রায়বাস্তবায়ন ও জনদুর্গভোগ লাঘবের দাবিতে বিভাগীয় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালকের সঙ্গে ঢাকাস্থ বাঁশখালী সমিতির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ জিয়ানগরে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে মিড-ডে মিলের খাদ্যসামগ্রী আত্মসাতের অভিযোগ জিয়ানগরে তামাকবিরোধী জনসচেতনতামূলক সভা তামাককে ‘না’ বললেই গড়া সম্ভব সুস্থ সমাজ: এমপি মাসুদ সাঈদী গ্লোবাল কনজ্যুমার এন্ড হিউম্যান রাইটস ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত বাঁশখালী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে পোষা প্রাণীদের জন্য বিনামূল্যে ভ্যাকসিন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নরসিংদীর ৪৮ ঘন্টার মধ্যে মাদক ছাড়তে হবে অন্যথায় এলাকা ছাড়তে হবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

সাতকানিয়ায় পুরানগড়ে চুরি প্রতিরোধে সচেতন নাগরিক কমিটি গঠন, নিরাপত্তা জোরদারে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

মুহাম্মদ আকতার উদ্দিন,চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের উত্তর সাতকানিয়া সাংগঠনিক থানার অন্তর্গত ১৪ নম্বর পুরানগড় ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সাম্প্রতিক সময়ে ঘরে ঘরে চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকাবাসীর উদ্যোগে একটি সচেতন নাগরিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গত ২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার রাত ৯টায় মনেয়াবাদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এক সচেতনতামূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতকানিয়া থানার সার্কেল অফিসার আরিফুল ইসলাম ছিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএডিসির সাবেক প্রকৌশলী আবদুল হাই চৌধুরী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ মুজিবুর রহমান সিকদার, সাবেক ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন এবং মো. ইসমাইল উদ্দিন।

চুরি হওয়া পরিবারের পক্ষ থেকে কুরবান আলী ও আলী আকবর সাম্প্রতিক চুরির ঘটনাগুলো তুলে ধরে দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

সচেতন নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক আবদুর রহিম সেলিম-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইউপিr সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ।

বক্তারা বলেন, সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি মাদক, জুয়া, চুরি, ডাকাতি, খুন ও ধর্ষণসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় অপরাধী চক্রের আস্তানা নির্মূলে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এছাড়া পারিবারিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিকতা ও তরুণদের ইতিবাচক মোটিভেশনের মাধ্যমে অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনের ওপরও বক্তারা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।